287628
শিরোনামঃ
জুড়ীতে ২৮২ শতক জমি দখলের পাঁয়তারা, আতঙ্কে ১৭ পরিবার, অপকর্ম ঢাকতে সংবাদ সম্মেলন ‘নিহার কলি’ ও ‘সম্রাট বাহাদুর’ পুনরায় বন বিভাগের হেফাজতে বিগত ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে বদলি হলেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৪০৯ জন প্রকৌশলী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন ফরহাদ হালিম (ডোনার) বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন কমলনগরের ইসমাইল জবিউল্লাহ ছাত্রদলের শীর্ষপদে আলোচনায় কমলনগরের জিয়া উদ্দিন বাসেত ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইসরাইলকে রক্ষায় পর্যাপ্ত সামরিক শক্তি নেই যুক্তরাষ্ট্রের: মার্কিন জেনারেল

সিরাজগঞ্জে নেপিয়ারসহ বিভিন্ন ঘাস চাষে কৃষকের সচ্ছলতা

#
news image

সিরাজগঞ্জে নেপিয়ারসহ বিভিন্ন ঘাস চাষে কৃষকের সচ্ছলতা-বাড়ছে দুধের উৎপাদন। এ ঘাস চাষে বেশি লাভবান হচ্ছেন জেলার গো-খামারিরা। ঘাস চাষ প্রতি বছরই বাড়ছে। এবার সিরাজগঞ্জ জেলার ৯টি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ৩২৭৫ হেক্টর জমিতে নেপিয়ারসহ বিভিন্ন জাতের ঘাস চাষ করেছে কৃষকেরা। এর মধ্যে স্থায়ী ২৭৫ হেক্টর ও অস্থায়ী ৩ হাজার হেক্টর জমিতে এ চাষ করা হয়। এসব ঘাসের মধ্যে রয়েছে, নেপিয়ার পাকচং, নেপিয়ার, দাঁড়া পিও-৪, জার্মান, পাড়া, এপ্রিল, এপি ঘাস এবং দেশীয় জাতের দুবলা, দোল ও ধুমচা ঘাস উল্লেখযোগ্য।

নেপিয়ার পাকচং ও নেপিয়ার ঘাসসহ বিদেশি জাতের ঘাস চাষে প্রতি বছর ডিসেম্বর থেকে জমিতে কাটিং রোপণ করে কৃষকেরা। বিশেষ করে কম দামে গাজীপুর ও সাভার থেকে এ কাটিং সংগ্রহ করে জমিতে রোপণ করে কৃষকেরা। এছাড়া জেলা উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস এলাকায় নেপিয়ার ঘাসের নার্সিং থেকে কৃষকদের কাটিং দেয়া হয়ে থাকে। এ চাষ ৬ মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়ে থাকে এবং অন্যান্য জাতের ঘাস সারা বছরই চাষ করা যায়।

এ জেলার সবকয়টি উপজেলাসহ বিশেষ করে বাঘাবাড়ি মিল্কভিটা এলাকার চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘাস বেশি চাষ হয়ে থাকে। জেলায় প্রায় ছোট বড় ২০ হাজার খামার রয়েছে। এরমধ্যেও উল্লাপাড়া ও শাহজাদপুরে খামারের সংখ্যা অনেক বেশি। স্থানীয় হাটবাজার থেকে গো খামারিরা ভালো দামে এ ঘাস ক্রয় করে। এতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা এখন খুশি। অনেক খামারি নিজেও এ ঘাস চাষ করে থাকে।

কাজিপুর উপজেলার চরগিরিশ চরাঞ্চলের কৃষক আজিজুল হক জানায়, এ ঘাস নিজেদের গো খামারের চাহিদা মিটিয়ে বিভিন্ন স্থানে এ ঘাস বিক্রি করে থাকি। এসব ঘাসের মধ্যে নেপিয়ার ঘাসের চাহিদা বেশি। কম খরচে এ ঘাস চাষে অনেক কৃষকের সচ্ছলতা ফিরে এসেছে। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা দিঘলকান্দি গ্রামের কৃষক নাইম ও আব্দুল বলেন, চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানে এ চাষ প্রতিবছরই বাড়ছে এবং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকেরা আগের তুলনায় ঘাস চাষে বেশি ঝুঁকে পড়েছেন।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. এ.কে.এম আনোয়ারুল হক জানান, এসব দেশি বিদেশি ঘাস চাষে স্থানীয় কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এ জেলার বিভিন্ন স্থানে নেপিয়ার পাকচং ও নেপিয়ার ঘাস বেশি চাষ হয়ে থাকে। এ চাষে গো খামারিরাই বেশি লাভবান হচ্ছে। প্রতিবছরই কম খরচে এ লাভজনক চাষ বাড়ছে। এ ধরনের ঘাস খাওয়ানোর ফলে দুধের উৎপাদন ও বাড়ছে।

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

২২-১০-২০২৫ দুপুর ৪:১৩

news image

সিরাজগঞ্জে নেপিয়ারসহ বিভিন্ন ঘাস চাষে কৃষকের সচ্ছলতা-বাড়ছে দুধের উৎপাদন। এ ঘাস চাষে বেশি লাভবান হচ্ছেন জেলার গো-খামারিরা। ঘাস চাষ প্রতি বছরই বাড়ছে। এবার সিরাজগঞ্জ জেলার ৯টি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ৩২৭৫ হেক্টর জমিতে নেপিয়ারসহ বিভিন্ন জাতের ঘাস চাষ করেছে কৃষকেরা। এর মধ্যে স্থায়ী ২৭৫ হেক্টর ও অস্থায়ী ৩ হাজার হেক্টর জমিতে এ চাষ করা হয়। এসব ঘাসের মধ্যে রয়েছে, নেপিয়ার পাকচং, নেপিয়ার, দাঁড়া পিও-৪, জার্মান, পাড়া, এপ্রিল, এপি ঘাস এবং দেশীয় জাতের দুবলা, দোল ও ধুমচা ঘাস উল্লেখযোগ্য।

নেপিয়ার পাকচং ও নেপিয়ার ঘাসসহ বিদেশি জাতের ঘাস চাষে প্রতি বছর ডিসেম্বর থেকে জমিতে কাটিং রোপণ করে কৃষকেরা। বিশেষ করে কম দামে গাজীপুর ও সাভার থেকে এ কাটিং সংগ্রহ করে জমিতে রোপণ করে কৃষকেরা। এছাড়া জেলা উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস এলাকায় নেপিয়ার ঘাসের নার্সিং থেকে কৃষকদের কাটিং দেয়া হয়ে থাকে। এ চাষ ৬ মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়ে থাকে এবং অন্যান্য জাতের ঘাস সারা বছরই চাষ করা যায়।

এ জেলার সবকয়টি উপজেলাসহ বিশেষ করে বাঘাবাড়ি মিল্কভিটা এলাকার চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘাস বেশি চাষ হয়ে থাকে। জেলায় প্রায় ছোট বড় ২০ হাজার খামার রয়েছে। এরমধ্যেও উল্লাপাড়া ও শাহজাদপুরে খামারের সংখ্যা অনেক বেশি। স্থানীয় হাটবাজার থেকে গো খামারিরা ভালো দামে এ ঘাস ক্রয় করে। এতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা এখন খুশি। অনেক খামারি নিজেও এ ঘাস চাষ করে থাকে।

কাজিপুর উপজেলার চরগিরিশ চরাঞ্চলের কৃষক আজিজুল হক জানায়, এ ঘাস নিজেদের গো খামারের চাহিদা মিটিয়ে বিভিন্ন স্থানে এ ঘাস বিক্রি করে থাকি। এসব ঘাসের মধ্যে নেপিয়ার ঘাসের চাহিদা বেশি। কম খরচে এ ঘাস চাষে অনেক কৃষকের সচ্ছলতা ফিরে এসেছে। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা দিঘলকান্দি গ্রামের কৃষক নাইম ও আব্দুল বলেন, চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানে এ চাষ প্রতিবছরই বাড়ছে এবং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকেরা আগের তুলনায় ঘাস চাষে বেশি ঝুঁকে পড়েছেন।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. এ.কে.এম আনোয়ারুল হক জানান, এসব দেশি বিদেশি ঘাস চাষে স্থানীয় কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এ জেলার বিভিন্ন স্থানে নেপিয়ার পাকচং ও নেপিয়ার ঘাস বেশি চাষ হয়ে থাকে। এ চাষে গো খামারিরাই বেশি লাভবান হচ্ছে। প্রতিবছরই কম খরচে এ লাভজনক চাষ বাড়ছে। এ ধরনের ঘাস খাওয়ানোর ফলে দুধের উৎপাদন ও বাড়ছে।