‘নিহার কলি’ ও ‘সম্রাট বাহাদুর’ পুনরায় বন বিভাগের হেফাজতে
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪-৮-২০২৬ রাত ৮:৫৭
‘নিহার কলি’ ও ‘সম্রাট বাহাদুর’ পুনরায় বন বিভাগের হেফাজতে
গাজীপুর সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে গত ১২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘নিহার কলি’ ও ‘সম্রাট বাহাদুর’ নামের দুটি হাতি পৃথক দুই ব্যক্তির জিম্মায় প্রদান করা হয়েছিল। পরবর্তীতে জিম্মাগ্রহীতারা নির্ধারিত শর্ত যথাযথভাবে প্রতিপালন করছেন না—এমন তথ্য পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু-এর নজরে আসে।
বিষয়টি অবহিত হওয়ার পর মন্ত্রী হাতি দুটির নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তাঁর নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে আজ ২৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অভিযান পরিচালনা করে হাতি দুটি পুনরায় বন বিভাগের হেফাজতে নিয়েছেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকার বন্যপ্রাণীর কল্যাণ, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে বন্যপ্রাণী জিম্মায় প্রদান করা হলে নির্ধারিত শর্ত প্রতিপালনে ব্যত্যয় ঘটলে আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
‘নিহার কলি’ নামের মাদি হাতিটিকে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ এলাকা থেকে এবং ‘সম্রাট বাহাদুর’ নামের পুরুষ হাতিটিকে জুড়ী উপজেলার শিলুয়া চা-বাগানসংলগ্ন এলাকা থেকে বন বিভাগের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
প্রধান বন সংরক্ষক মো: আমীর হোসাইন চৌধুরী জানান, মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশনা পাওয়ার পর আমরা কাল বিলম্ব না করে কাজ শুরু করেছি। মন্ত্রী মহোদয় COP-17 সম্মেলনে মঙ্গোলিয়ায় অবস্থান করলেও নিয়মিতভাবে তিনি এ বিষয়ে খোঁজ খবর রাখছেন।
বর্তমানে হাতি দুটি বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে গাজীপুর সাফারি পার্কে নিয়ে আসা হচ্ছে। সাফারি পার্কে পৌঁছানোর পর দায়িত্বপ্রাপ্ত ভেটেরিনারি কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞ মেডিকেল বোর্ডের সদস্যদের মাধ্যমে হাতি দুটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। পরবর্তীতে সেগুলোকে হাতির জন্য নির্ধারিত শেডে স্থানান্তর করে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪-৮-২০২৬ রাত ৮:৫৭
গাজীপুর সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে গত ১২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘নিহার কলি’ ও ‘সম্রাট বাহাদুর’ নামের দুটি হাতি পৃথক দুই ব্যক্তির জিম্মায় প্রদান করা হয়েছিল। পরবর্তীতে জিম্মাগ্রহীতারা নির্ধারিত শর্ত যথাযথভাবে প্রতিপালন করছেন না—এমন তথ্য পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু-এর নজরে আসে।
বিষয়টি অবহিত হওয়ার পর মন্ত্রী হাতি দুটির নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তাঁর নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে আজ ২৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অভিযান পরিচালনা করে হাতি দুটি পুনরায় বন বিভাগের হেফাজতে নিয়েছেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকার বন্যপ্রাণীর কল্যাণ, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে বন্যপ্রাণী জিম্মায় প্রদান করা হলে নির্ধারিত শর্ত প্রতিপালনে ব্যত্যয় ঘটলে আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
‘নিহার কলি’ নামের মাদি হাতিটিকে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ এলাকা থেকে এবং ‘সম্রাট বাহাদুর’ নামের পুরুষ হাতিটিকে জুড়ী উপজেলার শিলুয়া চা-বাগানসংলগ্ন এলাকা থেকে বন বিভাগের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
প্রধান বন সংরক্ষক মো: আমীর হোসাইন চৌধুরী জানান, মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশনা পাওয়ার পর আমরা কাল বিলম্ব না করে কাজ শুরু করেছি। মন্ত্রী মহোদয় COP-17 সম্মেলনে মঙ্গোলিয়ায় অবস্থান করলেও নিয়মিতভাবে তিনি এ বিষয়ে খোঁজ খবর রাখছেন।
বর্তমানে হাতি দুটি বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে গাজীপুর সাফারি পার্কে নিয়ে আসা হচ্ছে। সাফারি পার্কে পৌঁছানোর পর দায়িত্বপ্রাপ্ত ভেটেরিনারি কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞ মেডিকেল বোর্ডের সদস্যদের মাধ্যমে হাতি দুটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। পরবর্তীতে সেগুলোকে হাতির জন্য নির্ধারিত শেডে স্থানান্তর করে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।