287628
শিরোনামঃ
জুড়ীতে ২৮২ শতক জমি দখলের পাঁয়তারা, আতঙ্কে ১৭ পরিবার, অপকর্ম ঢাকতে সংবাদ সম্মেলন ‘নিহার কলি’ ও ‘সম্রাট বাহাদুর’ পুনরায় বন বিভাগের হেফাজতে বিগত ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে বদলি হলেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৪০৯ জন প্রকৌশলী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন ফরহাদ হালিম (ডোনার) বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন কমলনগরের ইসমাইল জবিউল্লাহ ছাত্রদলের শীর্ষপদে আলোচনায় কমলনগরের জিয়া উদ্দিন বাসেত ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইসরাইলকে রক্ষায় পর্যাপ্ত সামরিক শক্তি নেই যুক্তরাষ্ট্রের: মার্কিন জেনারেল

মুখোমুখি নয়, পরোক্ষ আলোচনায় বসতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

#
news image

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত আলোচনা বাস্তবায়নে পাকিস্তান এবং কাতার নিজেদের বিশেষ দূত পাঠাতে যাচ্ছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয় যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বড় ধরনের সামরিক হামলা চালানোর ঘোষণার পরপরই কূটনৈতিক ফোনালাপ শুরু হয়। বিশেষ করে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ট্রাম্পের কথোপকথন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যেখানে জিসিসি ভুক্ত দেশগুলোর পক্ষ থেকে যুদ্ধের অপ্রত্যাশিত ও মারাত্মক পরিণতির বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সতর্ক করা হয়।

ইতোমধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান, সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়েছেন। এর প্রেক্ষিতে সোমবার (৩ আগস্ট) আলোচনা শুরুর কথা থাকলেও মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিরা মুখোমুখি বসছেন না। পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কাতারের পক্ষ থেকে মধ্যস্থতাকারী প্রতিনিধি পাঠানোর মাধ্যমে এই পরোক্ষ আলোচনা দ্রুত শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বড় হামলার হুমকি দিয়েও পিছিয়ে যাওয়ায় এবার মনস্তাত্ত্বিক সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে ইরান।

সূত্র: আল জাজিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৩-৮-২০২৬ দুপুর ১২:২৩

news image
ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রতীকী ছবি

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত আলোচনা বাস্তবায়নে পাকিস্তান এবং কাতার নিজেদের বিশেষ দূত পাঠাতে যাচ্ছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয় যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বড় ধরনের সামরিক হামলা চালানোর ঘোষণার পরপরই কূটনৈতিক ফোনালাপ শুরু হয়। বিশেষ করে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ট্রাম্পের কথোপকথন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যেখানে জিসিসি ভুক্ত দেশগুলোর পক্ষ থেকে যুদ্ধের অপ্রত্যাশিত ও মারাত্মক পরিণতির বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সতর্ক করা হয়।

ইতোমধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান, সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়েছেন। এর প্রেক্ষিতে সোমবার (৩ আগস্ট) আলোচনা শুরুর কথা থাকলেও মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিরা মুখোমুখি বসছেন না। পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কাতারের পক্ষ থেকে মধ্যস্থতাকারী প্রতিনিধি পাঠানোর মাধ্যমে এই পরোক্ষ আলোচনা দ্রুত শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বড় হামলার হুমকি দিয়েও পিছিয়ে যাওয়ায় এবার মনস্তাত্ত্বিক সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে ইরান।

সূত্র: আল জাজিরা