ছাত্রদলের শীর্ষপদে আলোচনায় কমলনগরের জিয়া উদ্দিন বাসেত
অনলাইন ডেস্ক
১৪-৮-২০২৬ রাত ৯:৬
ছাত্রদলের শীর্ষপদে আলোচনায় কমলনগরের জিয়া উদ্দিন বাসেত
যেকোনো মুহূর্তে ঘোষণা হতে পারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি।
এর অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন ছাত্রদলের শীর্ষ পাঁচ নেতা।
সূত্র জানিয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাতের পর থেকে কমিটি নিয়ে একের পর আলোচনা হয়েছে। যাচাই বাছাইয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। সব কিছু ঠিক থাকলে আজ (১৪ আগস্ট) বিকালের পর যেকোনো সময় ঘোষণা হতে পারে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি।
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি পদে আলোচনায় উঠে এসেছে লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের সন্তান কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেতের নাম।
সাম্প্রতিক একাধিক প্রতিবেদনে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য নেতাদের তালিকায় কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেতের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
বর্তমানে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেত। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের শিক্ষার্থী। এর আগে কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি।
দলীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় বাসেত বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রেখেছেন। ২০২৩ সালে গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকার কথাও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনেও তাঁর ভূমিকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
এ ছাড়া জগন্নাথ হল ছাত্র সংসদ নির্বাচন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনেও ছাত্রদলের প্যানেলের পক্ষে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাঁর ভূমিকার কথা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের অনেকের মতে, মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয়তা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেতকে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অন্যতম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে রাখছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁর সমর্থকদের অনেকে তাঁকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।
তবে সভাপতি পদে তাঁর নাম জোরালোভাবে আলোচনায় থাকলেও এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়নি। নতুন কমিটি ঘোষণার আগ পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা সম্ভব নয়।
রাজনৈতিক মহলে এখন আলোচনার বিষয়—নতুন কেন্দ্রীয় কমিটিতে কারা আসছেন এবং সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদে শেষ পর্যন্ত কাদের ওপর আস্থা রাখছে বিএনপি ও ছাত্রদলের নীতিনির্ধারণী মহল। সেই দৌড়ে কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেতের নাম গুরুত্বপূর্ণভাবে আলোচনায় থাকায় লক্ষ্মীপুরের কমলনগরসহ তাঁর নিজ এলাকার নেতাকর্মীদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।
অনলাইন ডেস্ক
১৪-৮-২০২৬ রাত ৯:৬
যেকোনো মুহূর্তে ঘোষণা হতে পারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি।
এর অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন ছাত্রদলের শীর্ষ পাঁচ নেতা।
সূত্র জানিয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাতের পর থেকে কমিটি নিয়ে একের পর আলোচনা হয়েছে। যাচাই বাছাইয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। সব কিছু ঠিক থাকলে আজ (১৪ আগস্ট) বিকালের পর যেকোনো সময় ঘোষণা হতে পারে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি।
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি পদে আলোচনায় উঠে এসেছে লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের সন্তান কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেতের নাম।
সাম্প্রতিক একাধিক প্রতিবেদনে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য নেতাদের তালিকায় কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেতের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
বর্তমানে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেত। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের শিক্ষার্থী। এর আগে কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি।
দলীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় বাসেত বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রেখেছেন। ২০২৩ সালে গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকার কথাও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনেও তাঁর ভূমিকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
এ ছাড়া জগন্নাথ হল ছাত্র সংসদ নির্বাচন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনেও ছাত্রদলের প্যানেলের পক্ষে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাঁর ভূমিকার কথা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের অনেকের মতে, মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয়তা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেতকে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অন্যতম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে রাখছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁর সমর্থকদের অনেকে তাঁকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।
তবে সভাপতি পদে তাঁর নাম জোরালোভাবে আলোচনায় থাকলেও এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়নি। নতুন কমিটি ঘোষণার আগ পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা সম্ভব নয়।
রাজনৈতিক মহলে এখন আলোচনার বিষয়—নতুন কেন্দ্রীয় কমিটিতে কারা আসছেন এবং সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদে শেষ পর্যন্ত কাদের ওপর আস্থা রাখছে বিএনপি ও ছাত্রদলের নীতিনির্ধারণী মহল। সেই দৌড়ে কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেতের নাম গুরুত্বপূর্ণভাবে আলোচনায় থাকায় লক্ষ্মীপুরের কমলনগরসহ তাঁর নিজ এলাকার নেতাকর্মীদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।