287628
শিরোনামঃ
জুড়ীতে ২৮২ শতক জমি দখলের পাঁয়তারা, আতঙ্কে ১৭ পরিবার, অপকর্ম ঢাকতে সংবাদ সম্মেলন ‘নিহার কলি’ ও ‘সম্রাট বাহাদুর’ পুনরায় বন বিভাগের হেফাজতে বিগত ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে বদলি হলেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৪০৯ জন প্রকৌশলী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন ফরহাদ হালিম (ডোনার) বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন কমলনগরের ইসমাইল জবিউল্লাহ ছাত্রদলের শীর্ষপদে আলোচনায় কমলনগরের জিয়া উদ্দিন বাসেত ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইসরাইলকে রক্ষায় পর্যাপ্ত সামরিক শক্তি নেই যুক্তরাষ্ট্রের: মার্কিন জেনারেল

কক্সবাজার সৈকতে অবৈধ দোকানের লাইসেন্স বাতিলে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ

#
news image

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়িতে সম্প্রতি স্থাপিত অবৈধ দোকান উচ্ছেদ ও লাইসেন্স বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে আজ মন্ত্রণালয় থেকে ভূমি মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।

পরিবেশ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৈকতের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে আইন ও বিধি-বর্হিভূতভাবে এসব দোকানের লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ECA) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬ অনুযায়ী ইসিএ এলাকায় স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক কোনো স্থাপনা স্থাপন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ব্যতিরেকে ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো কার্যক্রম না করার জন্যও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সরকার ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিল কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করে। তদুপরি, মহামান্য হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্টও বিভিন্ন সময়ে সৈকতে স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৩-৯-২০২৫ বিকাল ৬:৫৫

news image

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়িতে সম্প্রতি স্থাপিত অবৈধ দোকান উচ্ছেদ ও লাইসেন্স বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে আজ মন্ত্রণালয় থেকে ভূমি মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।

পরিবেশ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৈকতের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে আইন ও বিধি-বর্হিভূতভাবে এসব দোকানের লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ECA) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬ অনুযায়ী ইসিএ এলাকায় স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক কোনো স্থাপনা স্থাপন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ব্যতিরেকে ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো কার্যক্রম না করার জন্যও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সরকার ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিল কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করে। তদুপরি, মহামান্য হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্টও বিভিন্ন সময়ে সৈকতে স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেছেন।