287628
শিরোনামঃ
ছাত্রদলের শীর্ষপদে আলোচনায় কমলনগরের জিয়া উদ্দিন বাসেত ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইসরাইলকে রক্ষায় পর্যাপ্ত সামরিক শক্তি নেই যুক্তরাষ্ট্রের: মার্কিন জেনারেল মুখোমুখি নয়, পরোক্ষ আলোচনায় বসতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ইসরায়েলি হামলায় গাজায় অন্তঃসত্ত্বা নারী নিহত, গর্ভ থেকে ছিটকে পড়ল শিশু সাময়িক বরখাস্ত হলেন গুলিস্তানে সড়কের মধ্যে মারামারি করা দুই ট্রাফিক কনস্টেবল কেমন থাকতে পারে ঈদের দিনের আবহাওয়া যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনায় বড় অগ্রগতির খোঁজে পাকিস্তান রামিসা হত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে- সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

বউ ছেলে মিলে মাকে হত্যা থানায় মামলা গ্রেফতার -৩

#
news image

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় বউ ছেলে মিলে মাকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে নিহতের ছোট ছেলে ঝন্টু রাজবংশী গত ২২ অক্টোবর সাটুরিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে।বিষয়টা নিশ্চিত করেছেন সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিনুল ইসলাম। গ্রেফতারকৃতরা হলেন নিহত লক্ষ্মী রাজবংশীর বড় ছেলে রঞ্জিত রাজবংশী, ছেলের বউ পার্বতী রানী রাজবংশী ও নাতি পিয়াস রাজবংশী।এদেরকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার সকালে আদালত পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (২০ অক্টোবর) সকালে উপজেলার দড়গ্রাম ইউনিয়নের পূর্ব বটতলা এলাকা বাড়ির সামনের ডোবা থেকে ওই বৃদ্ধার মরদেহটি সাটুরিয়া থানা পুলিশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠায়।

এই হত্যা মামলার বাদী নিহতের ছোট ছেলে ঝন্টু রাজবংশী বলেন,“রবিবার রাত একটার দিকে মায়ের ঘরে গিয়ে তাকে না পেয়ে সারারাত খোঁজাখুঁজি করে কোথাও পাইনি। সকালে দেখি বাড়ির সামনের ডোবায় মায়ের লাশ ভেসে আছে।আমার মা প্যারালাইস রোগী ছিল। ওই ডোবায় গেল কিভাবে? ”আমার মাকে ওরা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।আমি আমার মায়ের হত্যার বিচার চাই। 

এলাকার বাসিন্দা লিমন কাজী বলেন,লক্ষ্মী রাজবংশী পাঁচ বছর ধরে প্যারালাইজড অবস্থায় ছিলেন। তার হেঁটে যাওয়ার সক্ষমতা ছিল না। তাই তিনি নিজে কিভাবে ডোবার কাছে গেলেন, তা নিয়ে আমাদের সন্দেহ আছে। আমরা এ ঘটনার সঠিক তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।

নিহতের বড় মেয়ে কামনা রাজবংশী জানান, আমার মা দুই বছর ধরে আমার সঙ্গে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ছিল। আমার তিন ভাইয়ের কেউ মায়ের ভরণ-পোষণ করত না, তাই আমি মাকে নিয়ে রেখেছিলাম। কিন্তু আট দিন আগে বড় ভাই রঞ্জিত এসে মাকে নিয়ে যায়।আমার মা তো এমনিই মরা তবু ওরা আমার মাকে মেরে ফেললো। আমি এর বিচার চাই। 

সাটুরিয়া থানার ওসি মো.শাহিনুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ওই দিনই (২০ অক্টোবর ) ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।এ বিষয়ে গত ২২, অক্টোবর বুধবার নিহতের ছোট ছেলে ঝন্টু রাজবংশী বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিদের আজ বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

সাটুরিয়া প্রতিনিধি

২৩-১০-২০২৫ বিকাল ৫:৪২

news image

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় বউ ছেলে মিলে মাকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে নিহতের ছোট ছেলে ঝন্টু রাজবংশী গত ২২ অক্টোবর সাটুরিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে।বিষয়টা নিশ্চিত করেছেন সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিনুল ইসলাম। গ্রেফতারকৃতরা হলেন নিহত লক্ষ্মী রাজবংশীর বড় ছেলে রঞ্জিত রাজবংশী, ছেলের বউ পার্বতী রানী রাজবংশী ও নাতি পিয়াস রাজবংশী।এদেরকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার সকালে আদালত পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (২০ অক্টোবর) সকালে উপজেলার দড়গ্রাম ইউনিয়নের পূর্ব বটতলা এলাকা বাড়ির সামনের ডোবা থেকে ওই বৃদ্ধার মরদেহটি সাটুরিয়া থানা পুলিশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠায়।

এই হত্যা মামলার বাদী নিহতের ছোট ছেলে ঝন্টু রাজবংশী বলেন,“রবিবার রাত একটার দিকে মায়ের ঘরে গিয়ে তাকে না পেয়ে সারারাত খোঁজাখুঁজি করে কোথাও পাইনি। সকালে দেখি বাড়ির সামনের ডোবায় মায়ের লাশ ভেসে আছে।আমার মা প্যারালাইস রোগী ছিল। ওই ডোবায় গেল কিভাবে? ”আমার মাকে ওরা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।আমি আমার মায়ের হত্যার বিচার চাই। 

এলাকার বাসিন্দা লিমন কাজী বলেন,লক্ষ্মী রাজবংশী পাঁচ বছর ধরে প্যারালাইজড অবস্থায় ছিলেন। তার হেঁটে যাওয়ার সক্ষমতা ছিল না। তাই তিনি নিজে কিভাবে ডোবার কাছে গেলেন, তা নিয়ে আমাদের সন্দেহ আছে। আমরা এ ঘটনার সঠিক তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।

নিহতের বড় মেয়ে কামনা রাজবংশী জানান, আমার মা দুই বছর ধরে আমার সঙ্গে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ছিল। আমার তিন ভাইয়ের কেউ মায়ের ভরণ-পোষণ করত না, তাই আমি মাকে নিয়ে রেখেছিলাম। কিন্তু আট দিন আগে বড় ভাই রঞ্জিত এসে মাকে নিয়ে যায়।আমার মা তো এমনিই মরা তবু ওরা আমার মাকে মেরে ফেললো। আমি এর বিচার চাই। 

সাটুরিয়া থানার ওসি মো.শাহিনুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ওই দিনই (২০ অক্টোবর ) ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।এ বিষয়ে গত ২২, অক্টোবর বুধবার নিহতের ছোট ছেলে ঝন্টু রাজবংশী বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিদের আজ বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।