287628
শিরোনামঃ
ছাত্রদলের শীর্ষপদে আলোচনায় কমলনগরের জিয়া উদ্দিন বাসেত ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইসরাইলকে রক্ষায় পর্যাপ্ত সামরিক শক্তি নেই যুক্তরাষ্ট্রের: মার্কিন জেনারেল মুখোমুখি নয়, পরোক্ষ আলোচনায় বসতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ইসরায়েলি হামলায় গাজায় অন্তঃসত্ত্বা নারী নিহত, গর্ভ থেকে ছিটকে পড়ল শিশু সাময়িক বরখাস্ত হলেন গুলিস্তানে সড়কের মধ্যে মারামারি করা দুই ট্রাফিক কনস্টেবল কেমন থাকতে পারে ঈদের দিনের আবহাওয়া যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনায় বড় অগ্রগতির খোঁজে পাকিস্তান রামিসা হত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে- সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

তিস্তার আগ্রাসী রুপ; পানিবন্দী লাখো মানুষ

#
news image

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর টানা বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে প্লাবিত হয়েছে চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল। এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে ৩০ গ্রামের লাখো বাসিন্দা। সকাল থেকে পানি বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হলেও ভাটি অঞ্চলে দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। পশুপাখি ও খাবার সংকট দেখা দিয়েছে প্লাবিত এলাকায়।

 এতে জেলার পাঁচ উপজেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। হুমকির মুখে পড়েছে উজানে থাকা ফ্লাড বাইপাসসহ ঘরবাড়ি ও স্থাপনা। নদী এলাকার কাচা-পাকা রাস্তার উপর দিয়ে বইছে পানি। যে কোন সময় এসব রাস্তা ভেঙ্গে বারিঘর ও স্থাপনার ক্ষতি হতে পারে।

তীব্র শ্রোতে এখনো পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে। এছাড়াও পানির তেড়ে বেশ ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এদিকে পানি বৃদ্ধি পেয়ে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। নিচু এলাকায় বুক পরিমাণ পানিতে ডুবে আছে বারিঘর। রাত বাড়ার সাথে সাথে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নির্ঘুম রাত কাটিয়েছে এসব মানুষ। রাতের আধারের স্পার বাধ সহ উচু এলাকায় পশুপাখি নিয়ে অবস্থান নিয়েছেন তারা।

 সোমবার বিকাল ৩টায় ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ২০ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও ভাটিতে এখনো পানির চাপ বাড়ছে। গতকাল রাতে বিপৎসীমার ৩৫ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত পানি ভাটিতে থাকা লোকালয়ে প্রবেশ করে প্লাবিত করছে। এতে চরম দুর্ভোগ ও ভোগান্তিতে পড়েছে এসব মানুষ।

সরেজমিনে দেখা যায়, তিস্তা তীরবর্তী এলাকার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল রাতেই প্লাবিত হয়েছে। এখানকার মানুষজন স্পার বাধ সহ উচু এলাকায় গরু ছাগল নিয়ে রাত কাটিয়েছে। এছাড়াও নতুন নতুন লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে প্লাবিত করছে।

এসব এলাকায় থাকা কাচা পাকা সড়কের উপির দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় যে কোন সময় রাস্তাঘাট ধ্বসে যেতে পারে। এছাড়াও হুমকির মুখে পড়েছে বেশ কিছু এলাকার স্থাপনা ও সড়ক।

তিস্তা এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহমান বলেন, গতকাল সন্ধার পর থেকে পানি ঢুকতে শুরু করে। রাতেই বাড়িতে এক বুক পরিমাণ পানি উঠে। গরু ছাগল নিয়ে কোনরকমে উচু রাস্তায় অবস্থান নিয়েছি।

মহিষখোচা গোবর্ধন এলাকার ইউপি সদস্য মতি মিয়া বলেন, পাক সড়কের উপর দিয়ে পানি ঢুকছে। এই রাস্তা দিয়ে নদী এলাকার হাজারো মানুষ যাতায়াত করে। যানবাহন চলে। সব বন্ধ হয়ে গেছে। এই সড়ক ভেঙে গেলে মানুষের যাতায়াত বন্ধ হয়ে যাবে।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার বলেন, কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিপাত এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। তীরবর্তী এলাকাগুলোর মানুষকে অগ্রিম জানানো হয়েছে যেন তারা প্রস্তুত থাকে। ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

৬-১০-২০২৫ দুপুর ৪:৬

news image

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর টানা বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে প্লাবিত হয়েছে চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল। এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে ৩০ গ্রামের লাখো বাসিন্দা। সকাল থেকে পানি বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হলেও ভাটি অঞ্চলে দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। পশুপাখি ও খাবার সংকট দেখা দিয়েছে প্লাবিত এলাকায়।

 এতে জেলার পাঁচ উপজেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। হুমকির মুখে পড়েছে উজানে থাকা ফ্লাড বাইপাসসহ ঘরবাড়ি ও স্থাপনা। নদী এলাকার কাচা-পাকা রাস্তার উপর দিয়ে বইছে পানি। যে কোন সময় এসব রাস্তা ভেঙ্গে বারিঘর ও স্থাপনার ক্ষতি হতে পারে।

তীব্র শ্রোতে এখনো পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে। এছাড়াও পানির তেড়ে বেশ ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এদিকে পানি বৃদ্ধি পেয়ে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। নিচু এলাকায় বুক পরিমাণ পানিতে ডুবে আছে বারিঘর। রাত বাড়ার সাথে সাথে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নির্ঘুম রাত কাটিয়েছে এসব মানুষ। রাতের আধারের স্পার বাধ সহ উচু এলাকায় পশুপাখি নিয়ে অবস্থান নিয়েছেন তারা।

 সোমবার বিকাল ৩টায় ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ২০ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও ভাটিতে এখনো পানির চাপ বাড়ছে। গতকাল রাতে বিপৎসীমার ৩৫ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত পানি ভাটিতে থাকা লোকালয়ে প্রবেশ করে প্লাবিত করছে। এতে চরম দুর্ভোগ ও ভোগান্তিতে পড়েছে এসব মানুষ।

সরেজমিনে দেখা যায়, তিস্তা তীরবর্তী এলাকার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল রাতেই প্লাবিত হয়েছে। এখানকার মানুষজন স্পার বাধ সহ উচু এলাকায় গরু ছাগল নিয়ে রাত কাটিয়েছে। এছাড়াও নতুন নতুন লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে প্লাবিত করছে।

এসব এলাকায় থাকা কাচা পাকা সড়কের উপির দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় যে কোন সময় রাস্তাঘাট ধ্বসে যেতে পারে। এছাড়াও হুমকির মুখে পড়েছে বেশ কিছু এলাকার স্থাপনা ও সড়ক।

তিস্তা এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহমান বলেন, গতকাল সন্ধার পর থেকে পানি ঢুকতে শুরু করে। রাতেই বাড়িতে এক বুক পরিমাণ পানি উঠে। গরু ছাগল নিয়ে কোনরকমে উচু রাস্তায় অবস্থান নিয়েছি।

মহিষখোচা গোবর্ধন এলাকার ইউপি সদস্য মতি মিয়া বলেন, পাক সড়কের উপর দিয়ে পানি ঢুকছে। এই রাস্তা দিয়ে নদী এলাকার হাজারো মানুষ যাতায়াত করে। যানবাহন চলে। সব বন্ধ হয়ে গেছে। এই সড়ক ভেঙে গেলে মানুষের যাতায়াত বন্ধ হয়ে যাবে।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার বলেন, কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিপাত এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। তীরবর্তী এলাকাগুলোর মানুষকে অগ্রিম জানানো হয়েছে যেন তারা প্রস্তুত থাকে। ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।