287628
শিরোনামঃ
নতুন সরকারের সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা ৪২ সদস্যের হতে পারে নির্বাচনে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত- স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা  রমজানে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি করবে সরকার--মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় অনলাইনে নয়, সাংবাদিক কার্ড ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে ইসি মার্কিন হামলার তীব্র শঙ্কার মাঝেই আলোচনা চায় ইরান, দাবি ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না সৌদি আরব ইরানি সেনাদের মাঝে নেই উদ্বেগ, পূর্ণ যুদ্ধ প্রস্তুতির ঘোষণা জীবনযুদ্ধে গাজাবাসী; একদিকে হামলা অন্যদিকে তীব্র ঠান্ডা নির্বাচন ঘিরে লালমনিরহাটে সাংবাদিকদের সাথে জামায়াত প্রার্থীর মতবিনিময় অনুষ্ঠিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা

নতুন সরকারের সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা ৪২ সদস্যের হতে পারে

#
news image

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারের নতুন মন্ত্রিসভা হতে পারে ৪২ সদস্যের। এতে ঠাঁই পেতে পারেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ-এর মতো বর্ষীয়ান নেতারা। টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় আছেন নজরুল ইসলাম খান, রুহুল কবীর রিজভী, আমিনুল হকসহ কয়েকজন। এছাড়া জোটসঙ্গী হিসেবে মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনায়েদ সাকি ও ববি হাজ্জাজ।

ভোটের মহারণ শেষ। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে বিএনপি; বাকি শুধু আনুষ্ঠানিকতা। তবে জনমনে কৌতূহল রয়েছে তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার ‘কিচেনে’ কে কে জায়গা পাচ্ছেন। দায়িত্বশীল অনেক সূত্রের সমীকরণও এখনও চূড়ান্ত হয়নি; পরবর্তী মন্ত্রিসভা গঠনের বিষয়টি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত খোলাসা নাও হতে পারে।

সূত্রগুলো বলছে, এবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেতে পারেন যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পেতে পারেন আব্দুল আউয়াল মিন্টু। সড়ক পরিবহনের দায়িত্ব পেতে পারেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন এহসানুল হক মিলন। ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু দায়িত্ব পেতে পারেন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের। মেজর হাফিজ উদ্দিন আহম্মদ পেতে পারেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব, আর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব যেতে পারে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের কাছে।

মন্ত্রিসভায় আরও জায়গা পেতে পারেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান ও ওয়াদুদ ভূইয়া। দায়িত্ব পেতে পারেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান আসাদ। এছাড়াও আলোচনায় আছেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী শামা ওবায়েদ, আসাদুল হাবীব দুলু, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও রকিবুল ইসলাম বকুল।

টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় আছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ইসমাঈল জবিউল্লাহ, হুমায়ূন কবীর, জিয়া হায়দার ও আমিনুল হকসহ কয়েকজন।

এদিকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী এবং যুগ্ম মহাসচিব হাবীব-উন-নবী খান সোহেলও আলোচনায় রয়েছেন।

এছাড়াও, মন্ত্রিসভায় বিএনপি জোটের শরিকদের মধ্যে আলোচনায় আছেন আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনায়েদ সাকি, নুরুল হক নুর ও ববি হাজ্জাজসহ আরও কয়েকজন।

তবে এসব আলোচনা চূড়ান্ত হবে তখনই, যখন তারেক রহমান তার মন্ত্রিসভার তালিকা চূড়ান্ত করবেন এবং বঙ্গভবন থেকে তাঁদের শপথ গ্রহণের জন্য ডাকা হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৫-২-২০২৬ দুপুর ১২:৩৮

news image

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারের নতুন মন্ত্রিসভা হতে পারে ৪২ সদস্যের। এতে ঠাঁই পেতে পারেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ-এর মতো বর্ষীয়ান নেতারা। টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় আছেন নজরুল ইসলাম খান, রুহুল কবীর রিজভী, আমিনুল হকসহ কয়েকজন। এছাড়া জোটসঙ্গী হিসেবে মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনায়েদ সাকি ও ববি হাজ্জাজ।

ভোটের মহারণ শেষ। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে বিএনপি; বাকি শুধু আনুষ্ঠানিকতা। তবে জনমনে কৌতূহল রয়েছে তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার ‘কিচেনে’ কে কে জায়গা পাচ্ছেন। দায়িত্বশীল অনেক সূত্রের সমীকরণও এখনও চূড়ান্ত হয়নি; পরবর্তী মন্ত্রিসভা গঠনের বিষয়টি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত খোলাসা নাও হতে পারে।

সূত্রগুলো বলছে, এবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেতে পারেন যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পেতে পারেন আব্দুল আউয়াল মিন্টু। সড়ক পরিবহনের দায়িত্ব পেতে পারেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন এহসানুল হক মিলন। ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু দায়িত্ব পেতে পারেন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের। মেজর হাফিজ উদ্দিন আহম্মদ পেতে পারেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব, আর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব যেতে পারে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের কাছে।

মন্ত্রিসভায় আরও জায়গা পেতে পারেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান ও ওয়াদুদ ভূইয়া। দায়িত্ব পেতে পারেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান আসাদ। এছাড়াও আলোচনায় আছেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী শামা ওবায়েদ, আসাদুল হাবীব দুলু, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও রকিবুল ইসলাম বকুল।

টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় আছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ইসমাঈল জবিউল্লাহ, হুমায়ূন কবীর, জিয়া হায়দার ও আমিনুল হকসহ কয়েকজন।

এদিকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী এবং যুগ্ম মহাসচিব হাবীব-উন-নবী খান সোহেলও আলোচনায় রয়েছেন।

এছাড়াও, মন্ত্রিসভায় বিএনপি জোটের শরিকদের মধ্যে আলোচনায় আছেন আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনায়েদ সাকি, নুরুল হক নুর ও ববি হাজ্জাজসহ আরও কয়েকজন।

তবে এসব আলোচনা চূড়ান্ত হবে তখনই, যখন তারেক রহমান তার মন্ত্রিসভার তালিকা চূড়ান্ত করবেন এবং বঙ্গভবন থেকে তাঁদের শপথ গ্রহণের জন্য ডাকা হবে।