287628
শিরোনামঃ
নির্বাচনে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত- স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা  রমজানে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি করবে সরকার--মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় অনলাইনে নয়, সাংবাদিক কার্ড ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে ইসি মার্কিন হামলার তীব্র শঙ্কার মাঝেই আলোচনা চায় ইরান, দাবি ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না সৌদি আরব ইরানি সেনাদের মাঝে নেই উদ্বেগ, পূর্ণ যুদ্ধ প্রস্তুতির ঘোষণা জীবনযুদ্ধে গাজাবাসী; একদিকে হামলা অন্যদিকে তীব্র ঠান্ডা নির্বাচন ঘিরে লালমনিরহাটে সাংবাদিকদের সাথে জামায়াত প্রার্থীর মতবিনিময় অনুষ্ঠিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা কালথেকে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারনা শুরু

এনবিআরের দুই কর পরিদর্শকের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ: কোটি টাকার সম্পদের খোঁজে আইটিআইআইইউ

#
news image

কর ফাঁকির অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দুই কর পরিদর্শকের ব্যাংক হিসাব ও এফডিআর (মেয়াদি আমানত) হিসাব ফ্রিজ করেছে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট (আইটিআইআইইউ)। অভিযুক্তরা হলেন- কর অঞ্চল ১২-তে কর্মরত মোহাম্মদ রুবেল দর্জি এবং কর অঞ্চল ৫-এ কর্মরত সাইদুর রহমান। ওই দুই কর্মকর্তা সম্প্রতি বদলি হয়েছেন।

আয়কর গোয়েন্দা ইউনিট থেকে জানা গেছে, রুবেল দর্জির স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস এবং তাঁর বাবা জামাল উদ্দিন দর্জির ব্যাংক হিসাবও ফ্রিজ করা হয়েছে। তাঁদের নামে ব্যক্তিগত গাড়ি ও গাজীপুরের কাপাসিয়ায় সাড়ে চার একর জমির মালিকানা রয়েছে। মোহাম্মদ রুবেল দর্জি কর অঞ্চল-১২ এর নাজির থাকাকালীন ওই কর অঞ্চলে ৪টি চাকরি নিয়োগে কাজ করেছেন। সেখান থেকেই তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এবং তিনি বনে গিয়েছেন কোটিপতি। হাতে আসা তথ্য অনুযায়ী, কর অঞ্চল-১২ এর একটি নিয়োগ পরীক্ষা সেগুনবাগিচা হাই স্কুলে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তিনি স্কুলের শিক্ষকদের ম্যানেজ করে 'পক্সি' পরীক্ষা দিয়ে তাঁর মনোনীত প্রার্থীদের চাকরি দেন। এরপরই গাজীপুরে ৪ কোটি টাকা মূল্যের জমি ক্রয় করেন। তাঁর বাবা জামাল উদ্দিন দর্জিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রথমে নৌকা না পেয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচন করান এবং সেখানে ৪-৫ কোটি টাকা ব্যয় করেন।

অন্যদিকে, সাইদুর রহমানের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসীর ব্যাংক হিসাবও ফ্রিজ করা হয়েছে। আয়কর গোয়েন্দা ইউনিটের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “কর অঞ্চল ৫-এ সাইদুর রহমান নানা অনিয়মে জড়িত ছিলেন।” সাইদুর রহমানের কিছু সম্পদের তথ্য এসেছে, সেগুলো হলো- সেগুনবাগিচায় ৪টি ফ্ল্যাট, চন্দ্রিমা মডেল টাউন রোড নং ১১-তে ৩,০০০ স্কয়ার ফিটের রাজকীয় ফ্ল্যাট, পূ্র্বাচলে ৪টি প্লট এবং একটি সুইমিংপুলসহ প্রমোদ ফ্ল্যাট। আরও সম্পদের তথ্য রয়েছে। সরকারি কর্মচারী হয়ে এত কোটি টাকার সম্পদ গড়লেন কীভাবে, এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাঁকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১০-১০-২০২৫ দুপুর ৪:৪৭

news image

কর ফাঁকির অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দুই কর পরিদর্শকের ব্যাংক হিসাব ও এফডিআর (মেয়াদি আমানত) হিসাব ফ্রিজ করেছে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট (আইটিআইআইইউ)। অভিযুক্তরা হলেন- কর অঞ্চল ১২-তে কর্মরত মোহাম্মদ রুবেল দর্জি এবং কর অঞ্চল ৫-এ কর্মরত সাইদুর রহমান। ওই দুই কর্মকর্তা সম্প্রতি বদলি হয়েছেন।

আয়কর গোয়েন্দা ইউনিট থেকে জানা গেছে, রুবেল দর্জির স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস এবং তাঁর বাবা জামাল উদ্দিন দর্জির ব্যাংক হিসাবও ফ্রিজ করা হয়েছে। তাঁদের নামে ব্যক্তিগত গাড়ি ও গাজীপুরের কাপাসিয়ায় সাড়ে চার একর জমির মালিকানা রয়েছে। মোহাম্মদ রুবেল দর্জি কর অঞ্চল-১২ এর নাজির থাকাকালীন ওই কর অঞ্চলে ৪টি চাকরি নিয়োগে কাজ করেছেন। সেখান থেকেই তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এবং তিনি বনে গিয়েছেন কোটিপতি। হাতে আসা তথ্য অনুযায়ী, কর অঞ্চল-১২ এর একটি নিয়োগ পরীক্ষা সেগুনবাগিচা হাই স্কুলে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তিনি স্কুলের শিক্ষকদের ম্যানেজ করে 'পক্সি' পরীক্ষা দিয়ে তাঁর মনোনীত প্রার্থীদের চাকরি দেন। এরপরই গাজীপুরে ৪ কোটি টাকা মূল্যের জমি ক্রয় করেন। তাঁর বাবা জামাল উদ্দিন দর্জিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রথমে নৌকা না পেয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচন করান এবং সেখানে ৪-৫ কোটি টাকা ব্যয় করেন।

অন্যদিকে, সাইদুর রহমানের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসীর ব্যাংক হিসাবও ফ্রিজ করা হয়েছে। আয়কর গোয়েন্দা ইউনিটের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “কর অঞ্চল ৫-এ সাইদুর রহমান নানা অনিয়মে জড়িত ছিলেন।” সাইদুর রহমানের কিছু সম্পদের তথ্য এসেছে, সেগুলো হলো- সেগুনবাগিচায় ৪টি ফ্ল্যাট, চন্দ্রিমা মডেল টাউন রোড নং ১১-তে ৩,০০০ স্কয়ার ফিটের রাজকীয় ফ্ল্যাট, পূ্র্বাচলে ৪টি প্লট এবং একটি সুইমিংপুলসহ প্রমোদ ফ্ল্যাট। আরও সম্পদের তথ্য রয়েছে। সরকারি কর্মচারী হয়ে এত কোটি টাকার সম্পদ গড়লেন কীভাবে, এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাঁকে ফোনে পাওয়া যায়নি।