চীনের সাথে বাংলাদেশের ২০ টি উন্নত জে-১০সি ক্রয় চুক্তি প্রায় সম্পন্ন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৮-১০-২০২৫ দুপুর ২:৭
চীনের সাথে বাংলাদেশের ২০ টি উন্নত জে-১০সি ক্রয় চুক্তি প্রায় সম্পন্ন
বাংলাদেশ বিমানবাহিনী তার যুদ্ধক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে চীনের সাথে ২.২ বিলিয়ন ডলারের একটি বড় অস্ত্র চুক্তি প্রায় সম্পন্ন করতে চলেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে ২০টি উন্নত জে-১০সি (জে-১০সির একটি অ্যাডভান্সড ভ্যারিয়েন্ট) মাল্টিরোল ফাইটার জেট কেনা হবে, যা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যে ঢাকায় পৌঁছে যাবে। এটি বাংলাদেশের 'ফোর্সেস গোল ২০৩০' পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা দেশের বিমানবাহিনীকে আধুনিকীকরণ করবে।
চুক্তিতে শুধু জেটগুলো নয়, প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং অন্যান্য সহায়ক সুবিধা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই জেটগুলো বাংলাদেশের বর্তমান ফ্লিট (যেমন এফ-৭বিআইজি এবং মিগ-২৯) এর চেয়ে অনেক বেশি উন্নত, এবং এটি ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বাংলাদেশের অবস্থানকে শক্তিশালী করবে।
জে-১০সি জেটগুলোতে রয়েছে অ্যাকটিভ ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যানড অ্যারে (এএসইএ) রাডার (কেএলজে-৭এ মডেল), যা শত্রু বিমানকে দূর থেকে শনাক্ত করতে সক্ষম। এছাড়া, এতে পিএল-১৫ বিয়ন্ড-ভিজ্যুয়াল-রেঞ্জ (বিভিআর) এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল রয়েছে, যা ২০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব থেকে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জে-১০সি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা এবং আক্রমণাত্মক ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, "এই চুক্তি আমাদের বিমানবাহিনীকে ৪র্থ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের স্তরে নিয়ে যাবে। আমরা চীনের সাথে দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছি, যা আমাদের অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় সাশ্রয়ী।" তবে, এই চুক্তি ভারতের সাথে সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন।
চীনের চেংদু এয়ারক্রাফট ইন্ডাস্ট্রি গ্রুপ (সিএসিআইসি) এই জেটগুলো তৈরি করবে, এবং চুক্তি চূড়ান্ত হলে বাংলাদেশের বিমানবাহিনীতে এর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হবে। এটি বাংলাদেশের প্রথম বড়সড় চীনা ফাইটার জেট কেনাকাটা, যা দেশের প্রতিরক্ষা বাজেটের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ব্যয় (প্রায় ১৫%) হবে।
সূত্র: বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া, ডিফেন্স নিউজ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৮-১০-২০২৫ দুপুর ২:৭
বাংলাদেশ বিমানবাহিনী তার যুদ্ধক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে চীনের সাথে ২.২ বিলিয়ন ডলারের একটি বড় অস্ত্র চুক্তি প্রায় সম্পন্ন করতে চলেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে ২০টি উন্নত জে-১০সি (জে-১০সির একটি অ্যাডভান্সড ভ্যারিয়েন্ট) মাল্টিরোল ফাইটার জেট কেনা হবে, যা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যে ঢাকায় পৌঁছে যাবে। এটি বাংলাদেশের 'ফোর্সেস গোল ২০৩০' পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা দেশের বিমানবাহিনীকে আধুনিকীকরণ করবে।
চুক্তিতে শুধু জেটগুলো নয়, প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং অন্যান্য সহায়ক সুবিধা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই জেটগুলো বাংলাদেশের বর্তমান ফ্লিট (যেমন এফ-৭বিআইজি এবং মিগ-২৯) এর চেয়ে অনেক বেশি উন্নত, এবং এটি ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বাংলাদেশের অবস্থানকে শক্তিশালী করবে।
জে-১০সি জেটগুলোতে রয়েছে অ্যাকটিভ ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যানড অ্যারে (এএসইএ) রাডার (কেএলজে-৭এ মডেল), যা শত্রু বিমানকে দূর থেকে শনাক্ত করতে সক্ষম। এছাড়া, এতে পিএল-১৫ বিয়ন্ড-ভিজ্যুয়াল-রেঞ্জ (বিভিআর) এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল রয়েছে, যা ২০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব থেকে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জে-১০সি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা এবং আক্রমণাত্মক ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, "এই চুক্তি আমাদের বিমানবাহিনীকে ৪র্থ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের স্তরে নিয়ে যাবে। আমরা চীনের সাথে দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছি, যা আমাদের অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় সাশ্রয়ী।" তবে, এই চুক্তি ভারতের সাথে সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন।
চীনের চেংদু এয়ারক্রাফট ইন্ডাস্ট্রি গ্রুপ (সিএসিআইসি) এই জেটগুলো তৈরি করবে, এবং চুক্তি চূড়ান্ত হলে বাংলাদেশের বিমানবাহিনীতে এর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হবে। এটি বাংলাদেশের প্রথম বড়সড় চীনা ফাইটার জেট কেনাকাটা, যা দেশের প্রতিরক্ষা বাজেটের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ব্যয় (প্রায় ১৫%) হবে।
সূত্র: বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া, ডিফেন্স নিউজ।