ক্ষেতলালে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ের প্রলোভন ধর্ষণ প্রেমিক গ্রেপ্তার
জয়পুরহাট প্রতিনিধি
২৮-৯-২০২৫ দুপুর ৪:৫
ক্ষেতলালে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ের প্রলোভন ধর্ষণ প্রেমিক গ্রেপ্তার
র্যাব-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্পের সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষন মামলায় ফরহাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে। ফরহাদ ক্ষেতলাল উপজেলার মহব্বতপুর গ্রামের একরামুল হোসেন ভুট্টুর ছেলে। গতকাল রবিবার দুপুরে জয়পুরহাট র্যাব ক্যাম্প থেকে প্রেরীত তথ্যে এসব জানানো হয়েছে।
র্যাব জানায়, ফরহাদ হোসেন ক্ষেতলাল উপজেলার মহব্বতপুর এলাকার আছানুরের কলেজ পড়ুয়া
মেয়ের সাথে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে তোলে। ফরহাদ এই সম্পর্কের জের ধরে ভিকটিমকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে শারীরিক মেলামেশা করে আসছিল। সর্বশেষ গত ৩১ জুলাই মহব্বতপুর আজগরপাড়া গ্রামস্থ ভিকটিমের বাড়িতে কেউ না থাকায় ফরহাদ ভিকটিমের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে পুনরায় ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের পিতা মেয়ের মুখ থেকে বিষয়টি জানতে পেরে ফরহাদকে তার মেয়েকে বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করলে তার পিতা বিয়ের ব্যাপারে কোন রকম কর্ণপাত না করে কালক্ষেপন করতে থাকে এবং আসামি ফরহাদও বিয়ে না করার জন্য নানা রকম তালবাহানা করতে থাকে। এক পর্যায়ে ভিকটিম ছলচাতুরী বুঝতে পেরে গত ১০ আগষ্ট মহব্বতপুর মন্ডলপাড়া ফরহাদেও বাড়িতে বিয়ের দাবীতে অনশন শুরু করে। অনশনকে কেন্দ্র করে ফরহাদ ভিকটিমকে এলোপাতাড়ি কিল, ঘুষি, লাথি মেরে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এ সংবাদ পেয়ে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে ভিটটিমের পিতা বাদী হয়ে এ ব্যাপারে ক্ষেতলাল থানায় মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার অনুরোধের প্রেক্ষিতে গত শনিবার র্যাব-৫ সিপিসি-৩ এবং র্যাব-৭, সিপিসি-১ ও সিপিসি-৩ এর যৌথ আভিযানিক দল ফরহাদকে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বেপজা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।
জয়পুরহাট প্রতিনিধি
২৮-৯-২০২৫ দুপুর ৪:৫
র্যাব-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্পের সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষন মামলায় ফরহাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে। ফরহাদ ক্ষেতলাল উপজেলার মহব্বতপুর গ্রামের একরামুল হোসেন ভুট্টুর ছেলে। গতকাল রবিবার দুপুরে জয়পুরহাট র্যাব ক্যাম্প থেকে প্রেরীত তথ্যে এসব জানানো হয়েছে।
র্যাব জানায়, ফরহাদ হোসেন ক্ষেতলাল উপজেলার মহব্বতপুর এলাকার আছানুরের কলেজ পড়ুয়া
মেয়ের সাথে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে তোলে। ফরহাদ এই সম্পর্কের জের ধরে ভিকটিমকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে শারীরিক মেলামেশা করে আসছিল। সর্বশেষ গত ৩১ জুলাই মহব্বতপুর আজগরপাড়া গ্রামস্থ ভিকটিমের বাড়িতে কেউ না থাকায় ফরহাদ ভিকটিমের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে পুনরায় ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের পিতা মেয়ের মুখ থেকে বিষয়টি জানতে পেরে ফরহাদকে তার মেয়েকে বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করলে তার পিতা বিয়ের ব্যাপারে কোন রকম কর্ণপাত না করে কালক্ষেপন করতে থাকে এবং আসামি ফরহাদও বিয়ে না করার জন্য নানা রকম তালবাহানা করতে থাকে। এক পর্যায়ে ভিকটিম ছলচাতুরী বুঝতে পেরে গত ১০ আগষ্ট মহব্বতপুর মন্ডলপাড়া ফরহাদেও বাড়িতে বিয়ের দাবীতে অনশন শুরু করে। অনশনকে কেন্দ্র করে ফরহাদ ভিকটিমকে এলোপাতাড়ি কিল, ঘুষি, লাথি মেরে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এ সংবাদ পেয়ে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে ভিটটিমের পিতা বাদী হয়ে এ ব্যাপারে ক্ষেতলাল থানায় মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার অনুরোধের প্রেক্ষিতে গত শনিবার র্যাব-৫ সিপিসি-৩ এবং র্যাব-৭, সিপিসি-১ ও সিপিসি-৩ এর যৌথ আভিযানিক দল ফরহাদকে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বেপজা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।