শিবচরে 'জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের'আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু
শিবচর প্রতিনিধি
২৮-৯-২০২৫ দুপুর ২:৪৬
শিবচরে 'জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের'আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু
মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় 'জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের'আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাদারীপুর-১শিবচর সংসদীয় আসনের মনোনীত প্রার্থী মুফতী রাকীব হাসান ওসমান তার আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন।
রবিবার(২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে শিবচর উপজেলার বাহাদুরপুরে হাজী শরীয়তুল্লাহ (রহ.) আস্তানার কবর জিয়ারতের মধ্যে দিয়ে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মাদারীপুর জেলার সভাপতি ও মাদারীপুর-১শিবচর সংসদীয় আসনের মনোনয়ন প্রাপ্ত মুফতী রাকীব হাসান ওসমান।
মুফতী রাকীব হাসান ওসমান বলেন' আমরা আজ হাজী শরীয়তুল্লাহ (রহ.) আস্তানার কবর জিয়ারতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনে প্রচারণা শুরু করলাম।জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের এক সময় নির্বাচন করেছিলেন পীর মোসলেহ উদ্দিন আহম্মেদ দুদু মিয়া(রহ.)।তিনি ওই সময় খেজুর গাছ প্রতীকে নির্বাচন করে পার্লামেন্টের সদস্য হয়েছিলেন।পীর আবুবক্কর মিয়া(রহ.)একজন মুজাহিদ ছিলেন।
নির্বাচনী প্রচারণার সময় তিনি আরো বলেন'মাদারীপুরের শিবচরে ১৮ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের ব্যাপার এখানকার সকল জায়গায় মাদক,চাঁদাবাজি,সন্ত্রাসী ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।আমি মনে করি প্রশাসন ইচ্ছা করলেই এগুলো খুব সহজেই নির্মূল করতে পারে।কিন্তু প্রশাসন এখানে সেই কাজটি করছে না।আমি আপনাদের ওয়াদা দিয়ে বলতে চাই জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ শিবচরে বিজয় হলে এখান থেকে মাদক,সন্ত্রাস,দুর্নীতি চাঁদাবাজ মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ।আপনারা আমাদের পাশে থাকবেন এটাই প্রত্যাশা করি'।
নির্বাচনী প্রচারণা বক্তারা বলেন'আমাদের প্রথম নির্বাচনী প্রচারণাশুরু হলো কবর জিয়ারতের মাধ্যমে দিয়ে।এদেশে হেফাজতে ইসলাম কোন রাজনীতির সংগঠন নয়।তবে সকল ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলো পৃষ্ঠপোষক হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। তারা যে সিদ্ধান্ত দেবে আমরা তা মেনে নেব।এদেশের মানুষ এখনো পিআর পদ্ধতি বুঝে না।আগামী সংসদ নির্বাচন বর্তমান পদ্ধতিতে সঠিক সময়ে হতে হবে'।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শরিয়তপুরের প্রার্থী জিয়াউল হক কাশেমি,শিবচর উপজেলা জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা আবুবকর সিদ্দিক দাঃবাঃ,সাধারণ সম্পাদক মুফতী জুবায়ের কাসেমি,প্রচার সম্পাদক মোঃ সুজন মিয়াসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
শিবচর প্রতিনিধি
২৮-৯-২০২৫ দুপুর ২:৪৬
মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় 'জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের'আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাদারীপুর-১শিবচর সংসদীয় আসনের মনোনীত প্রার্থী মুফতী রাকীব হাসান ওসমান তার আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন।
রবিবার(২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে শিবচর উপজেলার বাহাদুরপুরে হাজী শরীয়তুল্লাহ (রহ.) আস্তানার কবর জিয়ারতের মধ্যে দিয়ে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মাদারীপুর জেলার সভাপতি ও মাদারীপুর-১শিবচর সংসদীয় আসনের মনোনয়ন প্রাপ্ত মুফতী রাকীব হাসান ওসমান।
মুফতী রাকীব হাসান ওসমান বলেন' আমরা আজ হাজী শরীয়তুল্লাহ (রহ.) আস্তানার কবর জিয়ারতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনে প্রচারণা শুরু করলাম।জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের এক সময় নির্বাচন করেছিলেন পীর মোসলেহ উদ্দিন আহম্মেদ দুদু মিয়া(রহ.)।তিনি ওই সময় খেজুর গাছ প্রতীকে নির্বাচন করে পার্লামেন্টের সদস্য হয়েছিলেন।পীর আবুবক্কর মিয়া(রহ.)একজন মুজাহিদ ছিলেন।
নির্বাচনী প্রচারণার সময় তিনি আরো বলেন'মাদারীপুরের শিবচরে ১৮ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের ব্যাপার এখানকার সকল জায়গায় মাদক,চাঁদাবাজি,সন্ত্রাসী ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।আমি মনে করি প্রশাসন ইচ্ছা করলেই এগুলো খুব সহজেই নির্মূল করতে পারে।কিন্তু প্রশাসন এখানে সেই কাজটি করছে না।আমি আপনাদের ওয়াদা দিয়ে বলতে চাই জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ শিবচরে বিজয় হলে এখান থেকে মাদক,সন্ত্রাস,দুর্নীতি চাঁদাবাজ মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ।আপনারা আমাদের পাশে থাকবেন এটাই প্রত্যাশা করি'।
নির্বাচনী প্রচারণা বক্তারা বলেন'আমাদের প্রথম নির্বাচনী প্রচারণাশুরু হলো কবর জিয়ারতের মাধ্যমে দিয়ে।এদেশে হেফাজতে ইসলাম কোন রাজনীতির সংগঠন নয়।তবে সকল ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলো পৃষ্ঠপোষক হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। তারা যে সিদ্ধান্ত দেবে আমরা তা মেনে নেব।এদেশের মানুষ এখনো পিআর পদ্ধতি বুঝে না।আগামী সংসদ নির্বাচন বর্তমান পদ্ধতিতে সঠিক সময়ে হতে হবে'।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শরিয়তপুরের প্রার্থী জিয়াউল হক কাশেমি,শিবচর উপজেলা জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা আবুবকর সিদ্দিক দাঃবাঃ,সাধারণ সম্পাদক মুফতী জুবায়ের কাসেমি,প্রচার সম্পাদক মোঃ সুজন মিয়াসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।