আছিয়া হত্যার প্রকৃত খুনিদের বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন
লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি
২৭-৯-২০২৫ দুপুর ৪:৩৭
আছিয়া হত্যার প্রকৃত খুনিদের বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন
লালমনিরহাটে আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আছিয়া বেগম হত্যার প্রকৃত খুনিকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানিয়েছেন আসামীপক্ষ ও এলাকাবাসী।
লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, আছিয়া বেগম এর নিকট ৭৪ শতক জমি আমরা ক্রয় করার পর দীর্ঘদিন যাবত ভোগদখল করিয়া আসিতেছি। কিন্তু আছিয়ার ছেলে দলিল উদ্দিন গং ভুয়া জাল দলিলমুলে উক্ত জমি তাহার দাবী করিয়া বিভিন্ন সময়ে আমাদের নামে মিথ্যা ও হয়রানি মুলক একের পর এক মামলা করে মামলায় রায় না পেয়ে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে শালিস বৈঠক করে। সেখানে আমাদের নিকট ১০ শতক জমি দাবী করলে আমরা তা দিতে রাজি হই। কিন্তু তারা তাহাদের পছন্দের জায়গা ছাড়া অন্য কোথাও জমি নিতে রাজি নয়।
এ সময় দলিল উদ্দিন গং এইরূপ হুমকি প্রদর্শন করেন যে, উক্ত জমিতে চাষাবাদ করতে গেলে আমরা নিজেরাই আমার মাকে খুন করিব কিংবা যে কোন একজনকে খুন করিয়া তোমাদেরকে ফাঁসাবো। এ হুমকির ঘটনায় আমি ফজলে রাব্বি ভীতসন্তস্ত হয়ে গত ১৮/০৭-২০২৫ইং তারিখে আদিতমারী থানায় দলিল উদ্দিন গংদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ করি।
পরে আদিতমারী থানা কর্তৃপক্ষ গত ১৭/০৭/২০২৫ইং তারিখ তদন্দ পূর্বক জানান যে, উক্ত জমি নিয়ে আর কোন বিরোধ হবে না। সে মোতাবেক আমরা জমিতে ফসল ফলানোর উদ্দেশ্যে চাষাবাদ করতে গেলে দলিল উদ্দিন গং লাঠিশোটা ও দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পরেন। সেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। ঘটনার দিন গত ২৬ জুলাই ২০২৫ইং তারিখ জমি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হলেও ঘটনাস্থল ছিল আছিয়ার বাড়ীতে থেকে দুরে। এসময় প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে আছিয়ার ছেলে দলিল উদ্দিন ও নাতি আরিফুল নিজেরাই তাকে হত্যা করেছে। কারন আছিয়া বয়বৃদ্ধা একজন মহিলা তিনি দীর্ঘদিন প্যারালাইস্ট সহ অনেক রোগে আক্রান্ত। তিনি গত ৬ মাস যাবত বিছানা থেকে উঠতে পারে না। তার মারামারি স্থলে যাওয়ার সক্ষমতা নাই। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত খুনিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানানো হয়।
(উল্লেখ্য এক টুকরো জমির জন্য নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালত পর্যন্তা একের এক মামলা খারিজ হয়েছে, শিবির সন্দেহে নাশকতার মামলা, জুলাই অভ্যুথানের হত্যা মামলা সহ আছিয়া হত্যা মামলার আসামী ভুক্তভোগী একটি পরিবার। নিরিহ, নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় কৃষক পরিবারটিকে বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের করা নাশকতার মামলায় কারা ভোগ করতে হয়েছে। পুনরায় ওই পরিবারের তিনজন কর্মক্ষম সদস্যকে জুলাই আন্দোলনে ভাটারা থানায় একটি হত্যা মামলার আসামী করা হয়। এঘটনার পর আছিয়া হত্যা মামলায়ও তাদেরকে আসামী করা হয়। এঘটনার প্রতিকার চান পরিবারটি)
লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি
২৭-৯-২০২৫ দুপুর ৪:৩৭
লালমনিরহাটে আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আছিয়া বেগম হত্যার প্রকৃত খুনিকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানিয়েছেন আসামীপক্ষ ও এলাকাবাসী।
লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, আছিয়া বেগম এর নিকট ৭৪ শতক জমি আমরা ক্রয় করার পর দীর্ঘদিন যাবত ভোগদখল করিয়া আসিতেছি। কিন্তু আছিয়ার ছেলে দলিল উদ্দিন গং ভুয়া জাল দলিলমুলে উক্ত জমি তাহার দাবী করিয়া বিভিন্ন সময়ে আমাদের নামে মিথ্যা ও হয়রানি মুলক একের পর এক মামলা করে মামলায় রায় না পেয়ে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে শালিস বৈঠক করে। সেখানে আমাদের নিকট ১০ শতক জমি দাবী করলে আমরা তা দিতে রাজি হই। কিন্তু তারা তাহাদের পছন্দের জায়গা ছাড়া অন্য কোথাও জমি নিতে রাজি নয়।
এ সময় দলিল উদ্দিন গং এইরূপ হুমকি প্রদর্শন করেন যে, উক্ত জমিতে চাষাবাদ করতে গেলে আমরা নিজেরাই আমার মাকে খুন করিব কিংবা যে কোন একজনকে খুন করিয়া তোমাদেরকে ফাঁসাবো। এ হুমকির ঘটনায় আমি ফজলে রাব্বি ভীতসন্তস্ত হয়ে গত ১৮/০৭-২০২৫ইং তারিখে আদিতমারী থানায় দলিল উদ্দিন গংদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ করি।
পরে আদিতমারী থানা কর্তৃপক্ষ গত ১৭/০৭/২০২৫ইং তারিখ তদন্দ পূর্বক জানান যে, উক্ত জমি নিয়ে আর কোন বিরোধ হবে না। সে মোতাবেক আমরা জমিতে ফসল ফলানোর উদ্দেশ্যে চাষাবাদ করতে গেলে দলিল উদ্দিন গং লাঠিশোটা ও দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পরেন। সেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। ঘটনার দিন গত ২৬ জুলাই ২০২৫ইং তারিখ জমি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হলেও ঘটনাস্থল ছিল আছিয়ার বাড়ীতে থেকে দুরে। এসময় প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে আছিয়ার ছেলে দলিল উদ্দিন ও নাতি আরিফুল নিজেরাই তাকে হত্যা করেছে। কারন আছিয়া বয়বৃদ্ধা একজন মহিলা তিনি দীর্ঘদিন প্যারালাইস্ট সহ অনেক রোগে আক্রান্ত। তিনি গত ৬ মাস যাবত বিছানা থেকে উঠতে পারে না। তার মারামারি স্থলে যাওয়ার সক্ষমতা নাই। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত খুনিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানানো হয়।
(উল্লেখ্য এক টুকরো জমির জন্য নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালত পর্যন্তা একের এক মামলা খারিজ হয়েছে, শিবির সন্দেহে নাশকতার মামলা, জুলাই অভ্যুথানের হত্যা মামলা সহ আছিয়া হত্যা মামলার আসামী ভুক্তভোগী একটি পরিবার। নিরিহ, নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় কৃষক পরিবারটিকে বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের করা নাশকতার মামলায় কারা ভোগ করতে হয়েছে। পুনরায় ওই পরিবারের তিনজন কর্মক্ষম সদস্যকে জুলাই আন্দোলনে ভাটারা থানায় একটি হত্যা মামলার আসামী করা হয়। এঘটনার পর আছিয়া হত্যা মামলায়ও তাদেরকে আসামী করা হয়। এঘটনার প্রতিকার চান পরিবারটি)