287628
শিরোনামঃ
নির্বাচনে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত- স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা  রমজানে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি করবে সরকার--মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় অনলাইনে নয়, সাংবাদিক কার্ড ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে ইসি মার্কিন হামলার তীব্র শঙ্কার মাঝেই আলোচনা চায় ইরান, দাবি ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না সৌদি আরব ইরানি সেনাদের মাঝে নেই উদ্বেগ, পূর্ণ যুদ্ধ প্রস্তুতির ঘোষণা জীবনযুদ্ধে গাজাবাসী; একদিকে হামলা অন্যদিকে তীব্র ঠান্ডা নির্বাচন ঘিরে লালমনিরহাটে সাংবাদিকদের সাথে জামায়াত প্রার্থীর মতবিনিময় অনুষ্ঠিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা কালথেকে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারনা শুরু

দুর্গাপুরে তিওড়কুড়ি–নারায়নপুর–দেলুয়াবাড়ি সড়ক উন্নয়ন

#
news image

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার তিওড়কুড়ি থেকে নারায়নপুর হয়ে দেলুয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভাঙা ও সরু আধাপাকা রাস্তায় চলাচল করা ছিল স্থানীয়দের জন্য নিত্য ভোগান্তি। বৃষ্টির দিনে হেঁটে যাওয়া পর্যন্ত হয়ে উঠতো দুর্বিষহ। গাড়ি চলাচল তো দূরের কথা, মানুষকে বাধ্য হয়ে ধরতে হতো আলপথ। অবশেষে সেই দুর্দিন কাটিয়ে এলাকায় বইছে স্বস্তির হাওয়া।

৪ হাজার ২৮০ মিটার দীর্ঘ সড়কটির নবনির্মাণ কাজ সম্প্রতি শেষ হয়েছে। ২ কোটি ৬ লাখ ৩৭ হাজার ৮৯৬ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সড়ক যেন নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে এলাকাবাসীর জন্য। নিরাপদ ও আরামদায়ক যাতায়াতের সুযোগ পেয়ে কৃষক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের মুখে এখন হাসি।

উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় সময় বাড়িয়ে চলতি বছরের ৬ সেপ্টেম্বর কাজ সম্পন্ন হয়। চট্টগ্রামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মোহাম্মদ ইউনুস এন্ড ব্রাদার লিমিটেড প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। সড়কের প্রস্থ রাখা হয়েছে ৩ মিটার এবং কার্পেটিংয়ের পুরুত্ব ২৫ মিলিমিটার।

স্থানীয় ভ্যানচালক আব্দুল রহমান বলেন, “আমি নারায়নপুর থেকে প্রতিদিন এই রাস্তায় ভ্যান চালাই। ভাঙা রাস্তার কারণে অনেক কষ্ট করতে হতো। এখন সুদিন ফিরেছে, চলাচল অনেক সহজ হয়েছে।”

অটোরিকশাচালক সাইফুল জানান, “আগে রাস্তা খারাপ থাকায় যাতায়াতে সময় ও ব্যাটারির চার্জ খরচ বেড়ে যেত। এখন যাত্রীদেরও আরাম, আমাদেরও স্বস্তি।”

জেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম বলেন, “রাস্তার কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ৭ সদস্যের কমিটি গঠন করে কাজটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। প্রস্থ, কার্পেটিংসহ সব কিছুই সঠিক পাওয়া গেছে। শুধু বিটুমিনের একটি পরীক্ষা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আশা করি, ফলাফল ইতিবাচক হলে রাস্তা দীর্ঘস্থায়ী হবে।”

স্থানীয়রা মনে করছেন, এই নতুন সড়ক দুর্গাপুর অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন প্রাণ সঞ্চার করবে। কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারজাতকরণ, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং সাধারণ মানুষের কর্মজীবনে আসবে নতুন গতি ও স্বাচ্ছন্দ্য।

রাজশাহী প্রতিনিধি

২১-৯-২০২৫ দুপুর ৪:৩৭

news image

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার তিওড়কুড়ি থেকে নারায়নপুর হয়ে দেলুয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভাঙা ও সরু আধাপাকা রাস্তায় চলাচল করা ছিল স্থানীয়দের জন্য নিত্য ভোগান্তি। বৃষ্টির দিনে হেঁটে যাওয়া পর্যন্ত হয়ে উঠতো দুর্বিষহ। গাড়ি চলাচল তো দূরের কথা, মানুষকে বাধ্য হয়ে ধরতে হতো আলপথ। অবশেষে সেই দুর্দিন কাটিয়ে এলাকায় বইছে স্বস্তির হাওয়া।

৪ হাজার ২৮০ মিটার দীর্ঘ সড়কটির নবনির্মাণ কাজ সম্প্রতি শেষ হয়েছে। ২ কোটি ৬ লাখ ৩৭ হাজার ৮৯৬ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সড়ক যেন নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে এলাকাবাসীর জন্য। নিরাপদ ও আরামদায়ক যাতায়াতের সুযোগ পেয়ে কৃষক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের মুখে এখন হাসি।

উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় সময় বাড়িয়ে চলতি বছরের ৬ সেপ্টেম্বর কাজ সম্পন্ন হয়। চট্টগ্রামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মোহাম্মদ ইউনুস এন্ড ব্রাদার লিমিটেড প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। সড়কের প্রস্থ রাখা হয়েছে ৩ মিটার এবং কার্পেটিংয়ের পুরুত্ব ২৫ মিলিমিটার।

স্থানীয় ভ্যানচালক আব্দুল রহমান বলেন, “আমি নারায়নপুর থেকে প্রতিদিন এই রাস্তায় ভ্যান চালাই। ভাঙা রাস্তার কারণে অনেক কষ্ট করতে হতো। এখন সুদিন ফিরেছে, চলাচল অনেক সহজ হয়েছে।”

অটোরিকশাচালক সাইফুল জানান, “আগে রাস্তা খারাপ থাকায় যাতায়াতে সময় ও ব্যাটারির চার্জ খরচ বেড়ে যেত। এখন যাত্রীদেরও আরাম, আমাদেরও স্বস্তি।”

জেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম বলেন, “রাস্তার কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ৭ সদস্যের কমিটি গঠন করে কাজটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। প্রস্থ, কার্পেটিংসহ সব কিছুই সঠিক পাওয়া গেছে। শুধু বিটুমিনের একটি পরীক্ষা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আশা করি, ফলাফল ইতিবাচক হলে রাস্তা দীর্ঘস্থায়ী হবে।”

স্থানীয়রা মনে করছেন, এই নতুন সড়ক দুর্গাপুর অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন প্রাণ সঞ্চার করবে। কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারজাতকরণ, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং সাধারণ মানুষের কর্মজীবনে আসবে নতুন গতি ও স্বাচ্ছন্দ্য।