এশিয়া কাপের সুপার ফোর এ শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশের জয়
স্পোর্টস্ ডেস্ক
২১-৯-২০২৫ রাত ১২:৪৫
এশিয়া কাপের সুপার ফোর এ শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশের জয়
এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বের তিন সুপার ফেভারিট দল ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলংকার সাথে বাংলাদেশ সুপার ফোরে পৌঁছেছে। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমে রুদ্র শ্বাস ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ।
দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কা ২০ ওভারে ১৬৮/৭ রান করে। জবাবে টাইগাররা ব্যাট করতে নামে। কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই দলীয় ১ রানে তানজিদ হাসান ২ বল খেলে শূন্য রানে আউট হন। পরবর্তীতে সাইফ হাসান, লিটন দাস জুটি দলকে ৫০ রানের একটি ভিত গড়ে দেন ।
দলীয় ৬০ রানে লিটন দাস ২৩ রানে ফেরেন। এরপর সাইফ হাসান একাই চার ছক্কা ও দুই চারের ইনিংস খেলেন এবং আন্তর্জাতিক অর্ধ-শতক পূর্ণ করেন। সাইফ হাসান পরে দলীয় ১১৩ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৬১ রান করে আউট হন।
পরবর্তীতে দলের হাল ধরেন তাওহিদ হৃদয়। ব্যক্তিগত ৩৭ বল থেকে ৫৮ রান করে শামীম হোসাইন এর সঙ্গে জুটি গড়ে দলকে ১৫৯ রানে পৌঁছাতে সাহায্য করেন। তাওহীদ হৃদয় ৩৭ বলে ৫৮ রান করে আউট হন।
শেষ ওভারে রানের প্রয়োজন হয় ৫। সানাকার প্রথম বলেই জাকের আলী বাউন্ডারি হাকিয়ে চার রান তোলেন। পরের বলে অতি উৎসাহী ছক্কা আঘাতে গিয়ে আউট হয়ে যান জাকের আলি। এরপর উইকেটে আসেন মাহেদী হাসান। ওভারের চতুর্থ বলে তিনিও আউট হয়ে যান সানাকার বলে। ম্যাচ তখন নাটকীয়তার মোর নেয়। উইকেটে আসেন নাসুম আহমেদ। সনাকার পঞ্চম বলে মাসুম আহমেদ ব্যাটে বলে কোনরকম ঠেলে দিয়েই নন স্ট্রাইকে পৌঁছে এক রান নিয়ে ম্যাচ জিতে নেন চার উইকেট হাতে রেখে। বাংলাদেশ ১৯.৫ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬৯ রান পূর্ণ করে ম্যাচ জিতেছে।
স্পোর্টস্ ডেস্ক
২১-৯-২০২৫ রাত ১২:৪৫
এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বের তিন সুপার ফেভারিট দল ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলংকার সাথে বাংলাদেশ সুপার ফোরে পৌঁছেছে। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমে রুদ্র শ্বাস ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ।
দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কা ২০ ওভারে ১৬৮/৭ রান করে। জবাবে টাইগাররা ব্যাট করতে নামে। কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই দলীয় ১ রানে তানজিদ হাসান ২ বল খেলে শূন্য রানে আউট হন। পরবর্তীতে সাইফ হাসান, লিটন দাস জুটি দলকে ৫০ রানের একটি ভিত গড়ে দেন ।
দলীয় ৬০ রানে লিটন দাস ২৩ রানে ফেরেন। এরপর সাইফ হাসান একাই চার ছক্কা ও দুই চারের ইনিংস খেলেন এবং আন্তর্জাতিক অর্ধ-শতক পূর্ণ করেন। সাইফ হাসান পরে দলীয় ১১৩ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৬১ রান করে আউট হন।
পরবর্তীতে দলের হাল ধরেন তাওহিদ হৃদয়। ব্যক্তিগত ৩৭ বল থেকে ৫৮ রান করে শামীম হোসাইন এর সঙ্গে জুটি গড়ে দলকে ১৫৯ রানে পৌঁছাতে সাহায্য করেন। তাওহীদ হৃদয় ৩৭ বলে ৫৮ রান করে আউট হন।
শেষ ওভারে রানের প্রয়োজন হয় ৫। সানাকার প্রথম বলেই জাকের আলী বাউন্ডারি হাকিয়ে চার রান তোলেন। পরের বলে অতি উৎসাহী ছক্কা আঘাতে গিয়ে আউট হয়ে যান জাকের আলি। এরপর উইকেটে আসেন মাহেদী হাসান। ওভারের চতুর্থ বলে তিনিও আউট হয়ে যান সানাকার বলে। ম্যাচ তখন নাটকীয়তার মোর নেয়। উইকেটে আসেন নাসুম আহমেদ। সনাকার পঞ্চম বলে মাসুম আহমেদ ব্যাটে বলে কোনরকম ঠেলে দিয়েই নন স্ট্রাইকে পৌঁছে এক রান নিয়ে ম্যাচ জিতে নেন চার উইকেট হাতে রেখে। বাংলাদেশ ১৯.৫ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬৯ রান পূর্ণ করে ম্যাচ জিতেছে।