সিরাজগঞ্জে সুর্য্যের দেখা নেই কাপছে যমুনা পাড়ের মানুষ
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
২৯-১২-২০২৫ বিকাল ৫:৪০
সিরাজগঞ্জে সুর্য্যের দেখা নেই কাপছে যমুনা পাড়ের মানুষ
যমুনা পাড়ের জেলা সিরাজগঞ্জে সুর্য্যরে দেখা নেই। কুয়াচ্ছন্নতায় ঢেকে পড়েছে প্রকৃতি। সেই সঙ্গে হিমেল বাতাসে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। প্রচন্ড শীতে স্বাভাবিক কর্মজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। এমন আবহাওয়া আরও দু’একদিন থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এদিকে, শীতজনিত রোগে প্রতিদিন শতশত রোগী হাসপাতালে ভীড় করছে।
জানা যায়, রবিবার সকাল থেকেই কুয়াশাচ্ছন্ন রয়েছে সিরাজগঞ্জ জেলা। সেই সঙ্গে বইছে মৃদু হিমেল বাতাস বয়ে যাওয়ায় শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছে মানুষ। কর্মহীন হয়ে বিপাকে পড়েছে অনেক শ্রমজীবী মানুষ। তীব্র শীতকে উপেক্ষা করে খেটে খাওয়া মানুষগুলো কাজের উদ্দেশে বের হলেও তারা স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারছেন না। রিকশা-ভ্যানচালকরা পাচ্ছেন না ভাড়া। এদিকে ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে।
সিরাজগঞ্জ ২৫০শয্যাবিশিষ্ট শেখ ফজিলাতুন্নেচ্ছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার জানান, হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা শতকরা ৩৫ভাগ রোগী ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত। তিনি বলেন, ঠান্ডাজনিত রোগ থেকে রক্ষা পেতে হলে সব সময় গরম কাপড় ও শারিরীক যত্ন নিতে হবে।
জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল বাছেত জানান, শীত নিবারনের জন্য ইতোমধ্যে জেলা কার্যালয় থেকে সাড়ে ৬ হাজার এবং প্রতিটি উপজেলায় প্রায় ১৬৫০টি কম্বল বরাদ্দ রয়েছে। যা পর্যায়ক্রম বিতরন করা হচ্ছে। প্রতিটি উপজেলার নির্বাহী অফিসার রাতে ঘুরে ঘুরে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরন করা হয়েছে।
বাঘাবাড়ী আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়া অফিসার মোস্তফা কামাল জানান, আজকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলিসিয়াস।
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
২৯-১২-২০২৫ বিকাল ৫:৪০
যমুনা পাড়ের জেলা সিরাজগঞ্জে সুর্য্যরে দেখা নেই। কুয়াচ্ছন্নতায় ঢেকে পড়েছে প্রকৃতি। সেই সঙ্গে হিমেল বাতাসে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। প্রচন্ড শীতে স্বাভাবিক কর্মজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। এমন আবহাওয়া আরও দু’একদিন থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এদিকে, শীতজনিত রোগে প্রতিদিন শতশত রোগী হাসপাতালে ভীড় করছে।
জানা যায়, রবিবার সকাল থেকেই কুয়াশাচ্ছন্ন রয়েছে সিরাজগঞ্জ জেলা। সেই সঙ্গে বইছে মৃদু হিমেল বাতাস বয়ে যাওয়ায় শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছে মানুষ। কর্মহীন হয়ে বিপাকে পড়েছে অনেক শ্রমজীবী মানুষ। তীব্র শীতকে উপেক্ষা করে খেটে খাওয়া মানুষগুলো কাজের উদ্দেশে বের হলেও তারা স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারছেন না। রিকশা-ভ্যানচালকরা পাচ্ছেন না ভাড়া। এদিকে ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে।
সিরাজগঞ্জ ২৫০শয্যাবিশিষ্ট শেখ ফজিলাতুন্নেচ্ছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার জানান, হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা শতকরা ৩৫ভাগ রোগী ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত। তিনি বলেন, ঠান্ডাজনিত রোগ থেকে রক্ষা পেতে হলে সব সময় গরম কাপড় ও শারিরীক যত্ন নিতে হবে।
জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল বাছেত জানান, শীত নিবারনের জন্য ইতোমধ্যে জেলা কার্যালয় থেকে সাড়ে ৬ হাজার এবং প্রতিটি উপজেলায় প্রায় ১৬৫০টি কম্বল বরাদ্দ রয়েছে। যা পর্যায়ক্রম বিতরন করা হচ্ছে। প্রতিটি উপজেলার নির্বাহী অফিসার রাতে ঘুরে ঘুরে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরন করা হয়েছে।
বাঘাবাড়ী আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়া অফিসার মোস্তফা কামাল জানান, আজকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলিসিয়াস।