287628
শিরোনামঃ
নির্বাচনে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত- স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা  রমজানে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি করবে সরকার--মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় অনলাইনে নয়, সাংবাদিক কার্ড ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে ইসি মার্কিন হামলার তীব্র শঙ্কার মাঝেই আলোচনা চায় ইরান, দাবি ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না সৌদি আরব ইরানি সেনাদের মাঝে নেই উদ্বেগ, পূর্ণ যুদ্ধ প্রস্তুতির ঘোষণা জীবনযুদ্ধে গাজাবাসী; একদিকে হামলা অন্যদিকে তীব্র ঠান্ডা নির্বাচন ঘিরে লালমনিরহাটে সাংবাদিকদের সাথে জামায়াত প্রার্থীর মতবিনিময় অনুষ্ঠিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা কালথেকে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারনা শুরু

চিত্রনায়িকা শাহিনা শিকদার বনশ্রী মারা গেছেন

#
news image

মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলা মেয়ে নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাহিনা শিকদার বনশ্রী(৫২)মারা গেছেন।তিনি মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর)সকালে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার সাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

বেশ কয়েক বছর ধরেই বিভিন্ন দুরারোগে ভুগছিলেন বনশ্রী।সাতদিন যাবৎ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। বনশ্রী হৃদরোগ,কিডনির সমস্যাসহ একাধিক রোগে আক্রান্ত ছিলেন। জানা যায় শিবচরের উপজেলার মাদবরেরচর ইউনিয়নের মেয়ে শাহিনা শিকদার বনশ্রী।শিবচরের মাদবরেরচর ইউনিয়নের শিকদারকান্দি গ্রামে জন্ম।তার বাবা মজিবুর রহমান মজনু শিকদার ও মা সবুরজান রিনার দুই মেয়ে ও এক ছেলের মধ্যে বনশ্রী সবার বড়।মাত্র সাত বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে রাজধানী ঢাকায় গিয়ে বসবাস শুরু করেন তিনি। ১৯৯৪ সালে ‘সোহরাব রুস্তম’ সিনেমা দিয়ে রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে বনশ্রীর।নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের বিপরীতে ছবিটি ব্যবসা সফল হয়।এরপরেই ব্যাপক পরিচিতি পান বনশ্রী।তারপর আরও দশটির মতো সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি।এখানে তার বিপরীতে নায়ক ছিলেন নায়ক মান্না,আমিন খান, রুবেল।ওই সময়ে জনপ্রিয় নায়কদের বিপরীতে নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেন বনশ্রী। তবে সুখের সময়টা খুব বেশিদিনের ছিল না তার।গর্ভে সন্তান আসায় বাধ্য হয়ে একটা সময় সিনেমা থেকে সরে যান।

এরপর দারিদ্র্যের কবলে পড়ে বাস করেন এক বস্তিতে।কাজবিহীন অসহায় ও মানবেতর জীবনযাপন করতে থাকেন।তিনি চলে যাওয়ার আগে অনেক কষ্ট করেছেন।একটা সময় নিজের পেট চালানোর জন্য রাস্তায় রাস্তায় ফুল, বই বিক্রি করতেন।পাচ্চর এলাকায় ভিক্ষা করেছেন কয়েকদিন। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস একসময়ের জনপ্রিয় পর্দা কাঁপানো নায়িকার শেষ সময়টা থাকতে হয়েছে বেদে পল্লীতে।সর্বশেষ তিনি শিবচরের মাদবরের চর ইউনিয়নের সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘরে থাকতেন।

ব্যক্তি জীবনে তার দুই সন্তান ছিল।এর মধ্যে তার বড় মেয়েটি ছিনতাই হয়ে যায়।মেহেদী হাসান রোমিও নামের ১২ বছরের একমাত্র পুত্র সন্তানটি ছিল তার সাথে। শাহিনা শিকদার বনশ্রীর লাশ হাসপাতাল থেকে শিবচরের কাচিকাটা কুমেরপাড় অভিনেত্রীর নানা বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।বাদ আসর জানাজা শেষে তাকে বাড়ির পাশেই দাফন করা হয়। এ সময় শাহিনা শিকদার বনশ্রীর ছোট ভাই হারুন শিকদার বলেন "আমার বোন বনশ্রী একসময় খুব জনপ্রিয় অভিনেত্রী ছিলেন।

৯০ এর দশকে তিনি জনপ্রিয় নায়কদের সাথে অভিনয় করেছেন।কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস তার শেষ সময়টা কাটে অনাহারে অযত্নে,তিনি বিভিন্ন ধরনের রোগে ভুগছিলেন। আমার বোনের একটা মাত্র ছেলে রয়েছে ও আমার সাথে আছে।ছেলেটি যাতে ভালোভাবে চলতে পারে এ ব্যাপারে সহযোগিতার করার জন্য আমি সরকারের কাছে অনুরোধ করছি।

শিবচর উপজেলা প্রতিনিধি

১৬-৯-২০২৫ রাত ১০:৩৫

news image

মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলা মেয়ে নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাহিনা শিকদার বনশ্রী(৫২)মারা গেছেন।তিনি মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর)সকালে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার সাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

বেশ কয়েক বছর ধরেই বিভিন্ন দুরারোগে ভুগছিলেন বনশ্রী।সাতদিন যাবৎ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। বনশ্রী হৃদরোগ,কিডনির সমস্যাসহ একাধিক রোগে আক্রান্ত ছিলেন। জানা যায় শিবচরের উপজেলার মাদবরেরচর ইউনিয়নের মেয়ে শাহিনা শিকদার বনশ্রী।শিবচরের মাদবরেরচর ইউনিয়নের শিকদারকান্দি গ্রামে জন্ম।তার বাবা মজিবুর রহমান মজনু শিকদার ও মা সবুরজান রিনার দুই মেয়ে ও এক ছেলের মধ্যে বনশ্রী সবার বড়।মাত্র সাত বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে রাজধানী ঢাকায় গিয়ে বসবাস শুরু করেন তিনি। ১৯৯৪ সালে ‘সোহরাব রুস্তম’ সিনেমা দিয়ে রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে বনশ্রীর।নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের বিপরীতে ছবিটি ব্যবসা সফল হয়।এরপরেই ব্যাপক পরিচিতি পান বনশ্রী।তারপর আরও দশটির মতো সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি।এখানে তার বিপরীতে নায়ক ছিলেন নায়ক মান্না,আমিন খান, রুবেল।ওই সময়ে জনপ্রিয় নায়কদের বিপরীতে নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেন বনশ্রী। তবে সুখের সময়টা খুব বেশিদিনের ছিল না তার।গর্ভে সন্তান আসায় বাধ্য হয়ে একটা সময় সিনেমা থেকে সরে যান।

এরপর দারিদ্র্যের কবলে পড়ে বাস করেন এক বস্তিতে।কাজবিহীন অসহায় ও মানবেতর জীবনযাপন করতে থাকেন।তিনি চলে যাওয়ার আগে অনেক কষ্ট করেছেন।একটা সময় নিজের পেট চালানোর জন্য রাস্তায় রাস্তায় ফুল, বই বিক্রি করতেন।পাচ্চর এলাকায় ভিক্ষা করেছেন কয়েকদিন। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস একসময়ের জনপ্রিয় পর্দা কাঁপানো নায়িকার শেষ সময়টা থাকতে হয়েছে বেদে পল্লীতে।সর্বশেষ তিনি শিবচরের মাদবরের চর ইউনিয়নের সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘরে থাকতেন।

ব্যক্তি জীবনে তার দুই সন্তান ছিল।এর মধ্যে তার বড় মেয়েটি ছিনতাই হয়ে যায়।মেহেদী হাসান রোমিও নামের ১২ বছরের একমাত্র পুত্র সন্তানটি ছিল তার সাথে। শাহিনা শিকদার বনশ্রীর লাশ হাসপাতাল থেকে শিবচরের কাচিকাটা কুমেরপাড় অভিনেত্রীর নানা বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।বাদ আসর জানাজা শেষে তাকে বাড়ির পাশেই দাফন করা হয়। এ সময় শাহিনা শিকদার বনশ্রীর ছোট ভাই হারুন শিকদার বলেন "আমার বোন বনশ্রী একসময় খুব জনপ্রিয় অভিনেত্রী ছিলেন।

৯০ এর দশকে তিনি জনপ্রিয় নায়কদের সাথে অভিনয় করেছেন।কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস তার শেষ সময়টা কাটে অনাহারে অযত্নে,তিনি বিভিন্ন ধরনের রোগে ভুগছিলেন। আমার বোনের একটা মাত্র ছেলে রয়েছে ও আমার সাথে আছে।ছেলেটি যাতে ভালোভাবে চলতে পারে এ ব্যাপারে সহযোগিতার করার জন্য আমি সরকারের কাছে অনুরোধ করছি।