আড়িয়াল খাঁ নদীতে হনুফার নিথর দেহ
মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি
১৫-১২-২০২৫ রাত ১০:২৭
আড়িয়াল খাঁ নদীতে হনুফার নিথর দেহ
মাদারীপুরের আড়িয়াল খাঁ নদীর ঢেউয়ের সঙ্গে ভেসে এলো এক নারীর নিথর দেহ, নাম তাঁর হনুফা বেগম। সোমবার বিকেলের নরম রোদে সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের বাবনাতলা এলাকায় নদীর বুকে ভাসমান অবস্থায় লাশটি দেখে চমকে ওঠে স্থানীয়রা।
নিহত হনুফা বেগম সদর উপজেলার পূর্ব রাস্তি এলাকার আহমেদ বেপারীর মেয়ে এবং আনোয়ার বেপারীর স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে নদীর পানিতে ভাসতে থাকা একটি নারীর মরদেহ চোখে পড়ে এলাকাবাসীর। মুহূর্তেই খবর পৌঁছে যায় সদর থানা পুলিশের কাছে। পরে বিষয়টি জানানো হয় শিবচর কলাতলা নৌ পুলিশ ফাঁড়িকে। খবর পেয়ে দ্রুত নৌ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে নদী থেকে হনুফা বেগমের লাশ উদ্ধার করে।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য সকালবেলা পারিবারিক কলহের জেরে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান হনুফা বেগম। এরপর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। বিকেলে নদীতে লাশ ভাসার খবর শুনে ঘটনাস্থলে এসে পরিবারের সদস্যরা নিথর দেহটি শনাক্ত করেন।
শিবচর কলাতলা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম জানান, সদর থানা পুলিশের কাছ থেকে সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নৌ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। লাশ উদ্ধারের পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় এ ঘটনায় তাদের কোনো অভিযোগ নেই। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নদীর ঢেউয়ের মাঝে হারিয়ে যাওয়া হনুফা বেগমের জীবন এখন শুধু একটি নিস্তব্ধ প্রশ্ন যার উত্তর খুঁজে ফেরে পরিবার আর নীরব আড়িয়াল খা।
মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি
১৫-১২-২০২৫ রাত ১০:২৭
মাদারীপুরের আড়িয়াল খাঁ নদীর ঢেউয়ের সঙ্গে ভেসে এলো এক নারীর নিথর দেহ, নাম তাঁর হনুফা বেগম। সোমবার বিকেলের নরম রোদে সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের বাবনাতলা এলাকায় নদীর বুকে ভাসমান অবস্থায় লাশটি দেখে চমকে ওঠে স্থানীয়রা।
নিহত হনুফা বেগম সদর উপজেলার পূর্ব রাস্তি এলাকার আহমেদ বেপারীর মেয়ে এবং আনোয়ার বেপারীর স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে নদীর পানিতে ভাসতে থাকা একটি নারীর মরদেহ চোখে পড়ে এলাকাবাসীর। মুহূর্তেই খবর পৌঁছে যায় সদর থানা পুলিশের কাছে। পরে বিষয়টি জানানো হয় শিবচর কলাতলা নৌ পুলিশ ফাঁড়িকে। খবর পেয়ে দ্রুত নৌ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে নদী থেকে হনুফা বেগমের লাশ উদ্ধার করে।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য সকালবেলা পারিবারিক কলহের জেরে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান হনুফা বেগম। এরপর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। বিকেলে নদীতে লাশ ভাসার খবর শুনে ঘটনাস্থলে এসে পরিবারের সদস্যরা নিথর দেহটি শনাক্ত করেন।
শিবচর কলাতলা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম জানান, সদর থানা পুলিশের কাছ থেকে সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নৌ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। লাশ উদ্ধারের পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় এ ঘটনায় তাদের কোনো অভিযোগ নেই। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নদীর ঢেউয়ের মাঝে হারিয়ে যাওয়া হনুফা বেগমের জীবন এখন শুধু একটি নিস্তব্ধ প্রশ্ন যার উত্তর খুঁজে ফেরে পরিবার আর নীরব আড়িয়াল খা।