১৮ মাস পর খুললো স্কুল-কলেজ, কাল খুলছে মেডিকেলগুলো

20

দীর্ঘ ১৮ মাস পর আজ রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) খুলেছে করোনায় বন্ধ হয়ে যাওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। শিক্ষার্থীরা ফিরেছে আপন ঠিকানায়। তাদের পদচারণায় মুখরিত প্রতিটি ক্যাম্পাস। প্রথম ধাপে আজ খুলেছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব স্তরের প্রতিষ্ঠান।

আর আগামীকাল খুলে দেওয়া হবে দেশের সকল মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলো।

শারীরিক উপস্থিতিতে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আগে থেকেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রস্তুত করার নির্দেশনা ছিল। সে অনুযায়ী প্রস্তুতিও নেওয়া হয়। শ্রেণি কার্যক্রম প্রস্তুতি ছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বরণ করতে সাজানো হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শ্রেণিকক্ষ।

রোববার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন স্কুলে সরেজমিনে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীদের আগমন উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎসবের বিরাজ করছে। বিশেষ করে দুই শিফটের স্কুলগুলোতে সকাল ৮টার আগেই শিক্ষার্থীরা নতুন স্কুল ড্রেস পরে অভিভাবকের হাত ধরে উপস্থিত হতে দেখা গেছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) নির্দেশনা সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রাথমিকে প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুটি শ্রেণির পাঠদান অনুষ্ঠিত হবে। সে অনুযায়ী একটি রুটিনও প্রণয়ন করা হয়েছে। রুটিন অনুযায়ী, আজ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণির সঙ্গে তৃতীয় শ্রেণির ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে।

সাত নির্দেশনা মেনে মেডিকেলের ক্লাস কাল

এদিকে সাত নির্দেশনা মেনে আগামীকাল সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) খুলছে দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলো। সশরীরে ক্লাস শুরুর ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত নির্দেশনাসমূহ প্রতিপালন করতে বলেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এগুলো হলো:

ক. স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষার্থী হোস্টেল (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ক্লাস শুরুর ৩ (তিন) দিন পূর্বে খুলে দিতে হবে;

খ. সশরীরে ক্লাস পরিচালনার ক্ষেত্রে যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে;

গ. শিক্ষার্থীদেরকে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে প্রশিক্ষণ প্রদান এবং স্বাস্থ্যবিধির উপকরণসমূহ সহজলভ্যের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে;

ঘ. ক্লাস শুরু করার ক্ষেত্রে শুরুতে ক্লাসের সংখ্যা ও সময় কম রাখা যেতে পারে;

ঙ. সশরীরে উপস্থিতির পাশাপাশি অনলাইনে ক্লাস চলমান থাকবে;

চ. মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর মেডিকেল কলেজ ও অন্যান্য চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়ার পূর্বে একটি গাইডলাইন পুস্তিকা আকারে প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট প্রেরণ করবেন এবং

ছ. অধ্যক্ষগণ সশরীরে ক্লাস পরিচালনা কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রতিবেদন প্রেরণ করবেন। এক মাসের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অন্যান্য সেশনের ক্লাস শুরুর বিষয়ে যথাসময়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।

Comments
[covid19 country="Bangladesh" title="Bangladesh"]