সদ্যমৃত ব্যক্তির অঙ্গে বাঁচতে পারে ১৪ মুমূর্ষুর জীবন

49

একজন সদ্যমৃত ব্যক্তির অঙ্গ দিয়ে ১৪ জন মৃত্যুপথযাত্রীর জীবন বাঁচিয়ে তোলা সম্ভব বলে জানিয়েছেন শ্যামলীর সিকেডি অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রখ্যাত কিডনি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম।

শুক্রবার রাতে রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) কে-৪০ ব্যাচের সহপাঠীদের দেওয়া সম্মাননা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন ১৯৯৯ প্রণয়ন করা হয়। এর পর দীর্ঘ সময়েও আইনটি বাস্তাবায়ন করা যায়নি। একজন সদ্যমৃত ব্যক্তির অঙ্গ দিয়ে ১৪ জন মৃত্যুপথযাত্রীর জীবন বাঁচিয়ে তোলা সম্ভব। মরণোত্তর অঙ্গ রোগীর দেহে প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে রোগী ফিরে পেতে পারে সুস্থ জীবন। তবে ২০১৮ সালে আইনটি সংশোধন হয়। এই বছরের মধ্যে মরণোত্তর দান করা অঙ্গ প্রতিস্থাপন সম্ভব হবে।’

ডা. কামরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘এতদিনেও অঙ্গ প্রতিস্থাপন শুরু না হওয়ার অন্যতম কারণ সামাজিক সচেতনতার অভাব। এমনকি ডাক্তারদের মধ্যেও সচেতনতার অভাব আছে৷ আইনে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কিডনি, হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, অন্ত্র, যকৃৎ, অগ্ন্যাশয়, অস্থি, অস্থিমজ্জা, চোখ, চর্ম, টিস্যুসহ মানবদেহে সংযোজনযোগ্য যেকোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ প্রতিস্থাপন করার সুযোগ রয়েছে। দেশে কিডনি, চোখ, যকৃতের মতো অল্প কিছু অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন সম্ভব। তার মানে, কেউ মরণোত্তর দেহদান করলেও তার মাত্র কয়েকটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অন্যের দেহে সংযোজন করার সুযোগ রয়েছে, বাকি সবই নষ্ট হয় শুধু ব্যবস্থাপনার অভাবে৷’

Comments
[covid19 country="Bangladesh" title="Bangladesh"]