পেঁয়াজের ঝাঁজ ততটা কমেনি বেড়েছে চালের দাম, সবজি চড়া

25

সবজির সরবরাহ বাড়লেও শীতকালীন সবজির দাম কমছে না, সেই সঙ্গে অস্থির হওয়া পেঁয়াজের মূল্য কিছুটা কমে এসেছে। আর নতুন করে বেড়েছে চাল, আটা, ময়দা, ডাল ও ডিমের দাম।

চালের দাম প্রতি কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা বেড়েছে। আমদানি করা পেঁয়াজ প্রতি কেজি ১৪০ থেকে ১৭০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। তবে দেশি পেঁয়াজ এখনও ২০০ টাকা কেজিতেই বিক্রি হচ্ছে।

বেশিরভাগ সবজির কেজি ৫০ থেকে ৭০ টাকা। শুক্রবার রাজধানীর বাজারগুলোতে এসব চিত্র দেখা যায়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা বেড়েছে চালের দাম। নাজির ও মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি। এক সপ্তাহ আগে এই চালের দাম ছিল ৫৫ থেকে ৫৮ টাকা কেজি। এ ছাড়া নতুন করে বেড়েছে ডিমের দাম। প্রতি হালিতে তিন টাকা বেড়ে ৩৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে ময়দার মূল্য কেজিতে বেড়েছে ছয় থেকে আট টাকার মতো। খুচরা বাজারে খোলা ময়দা প্রতি কেজি ৪০ টাকায় উঠেছে।

যা এক সপ্তাহ আগে ৩২ থেকে ৩৪ টাকার মধ্যে পাওয়া যেত। ময়দার মতো আটার দামও কেজিতে তিন থেকে চার টাকা বেড়েছে। প্রতি কেজি আটা বিক্রি হচ্ছে ৩৬ থেকে ৩৮ টাকা। এক সপ্তাহ আগে এই পণ্য ৩২ থেকে ৩৫ টাকায় পাওয়া যেত।

কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতের সবজির দাম এখনও বেশ চড়া। সবজি ব্যবসায়ীরা বলছেন, রাজধানীর বাজারগুলোতে শীতের সবজির সরবরাহ বেড়েছে। কিন্তু দাম কমেনি। ফুলকপি প্রতিটি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। একইভাবে সবচেয়ে কম দামি সবজি অর্থাৎ প্রতি কেজি মুলাও বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা করে। করলাসহ বেশ কয়েকটি সবজি ১০০ টাকা কেজিরও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতারা বলছেন, এখন শীতের অধিকাংশ সবজির দাম হওয়া উচিত ১০ থেকে ২০ টাকার মধ্যে।

মানিকনগর এলাকার বাসিন্দা কামাল হোসেন বলেন, নভেম্বর মাস শেষ হতে চলছে। বছরের এ সময় মুলার দাম পাঁচ থেকে ছয় টাকা হয়। ফুলকপি ৫ থেকে ১০ টাকায় নেমে আসার কথা। কিন্তু বাজারে যেন আগুন লেগেই রয়েছে।

মানিকনগর বাজার (পুকুরপাড়) ঘুরে দেখা যায়, বেগুন ৫০ থেকে ৬০, করলা ১০০ থেকে ১২০, টমেটো ১০০ থেকে ১২০, কাঁচা টমেটো ৭০ থেকে ৮০, শিম ১০০, ফুলকপি ৫০ থেকে ৬০ , নতুন আলু ১০০, পুরনো আলু ৩০, শসা ১০০ থেকে ১২০ ও মুলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া গাজর ১২০, শালগম ৮০, পেঁপে ৩০, বরবটি ৬০, লাল বরবটি ৯০, চিচিঙ্গা ৮০, ঢেঁড়স ৬০, কচুর লতি ৬০, ধুন্দল ৬০ ও কচুরমুখী ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি লাউ ৫০, চালকুমড়া ৫০ ও বাঁধাকপি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া আদা ১৬০ থেকে ১৮০ ও রসুন ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

গরু ও খাসির মাংসের দাম আগের মতোই রয়েছে। গরু সাড়ে ৫০০ টাকা ও খাসি সাড়ে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে কিছুটা কমেছে ব্রয়লার মুরগি ও পাকিস্তানি ককের দাম। ১১৫ থেকে ১২৫ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।

Comments

Bangladesh

Confirmed
355,384
+1,540
Deaths
5,072
+28
Recovered
265,092
Active
85,220
Last updated: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০ - ৫:৩৩ অপরাহ্ণ (+০০:০০)