টিকাদানের বয়স কমিয়ে ১৮ বছর করা হচ্ছে

47

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ভ্যাকসিন প্রয়োগের বয়সসীমা ১৮ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।

আজ শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকালে রাজধানীর মুগদা হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে গণমাধ্যমকে এসব কথা জানান তিনি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আরও বলেন, ‘রাজধানীতে আরও ২-৩ জায়গায় ফিল্ড হাসপাতাল করার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। জেলা পর্যায়েও প্রয়োজনে ফিল্ড হাসপাতাল করার নির্দেশনা দেওয়া আছে। প্রান্তিক পর্যায়ে টিকাদান সহজ করতে শুধু এনআইডি দেখিয়ে টিকা নেওয়ার ব্যবস্থা করা যায় কিনা, তা আলোচনায় রয়েছে।’

গত ১৫ জুলাই স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ভ্যাকসিন প্রয়োগের বয়সসীমা ৩৫ থেকে কমিয়ে আঠারো ঊর্ধ্বে করা হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি টিকার জন্য নিবন্ধনের বয়সসীমা ১৮ বছর পর্যন্ত করার সুপারিশ করেছে। এ প্রেক্ষিতে আমরা চিন্তা করছি টিকার জন্য বয়সসীমা আরও কমিয়ে আনা যায় কি না। এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও আলাপ হয়েছে। উনারও একটা নির্দেশনা আছে। আমাদের টেকনিক্যাল কমিটিও গতকাল আমাদের জানিয়েছে ১৮ বছর এবং তার ঊর্ধ্বে টিকা দেওয়া যায় কি না।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি চীন থেকে সিনোফার্মের ২০ লাখ টিকা এসেছে। এই টিকার বাইরে দেশটি থেকে আরও দেড় কোটি ডোজ টিকা আসবে। পাশাপাশি কোভ্যাক্স থেকে চলতি মাসেই অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও মডার্নার টিকা আসবে।

স্বাস্থ্যখাতের সমালোচনা প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সমালোচনা হওয়া উচিত যারা স্বাস্থ্যখাত নিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্তি করে তাদেরকে নিয়ে, যারা মুখে মাস্ক পড়ে না তাদেরকে নিয়ে। দেশে এখনো খাদ্যের অভাব নেই, শিল্প বন্ধ হয়নি, স্বাস্থ্যসেবা চলমান রয়েছে। তাহলে স্বাস্থ্যখাত নিয়ে কেন এত চক্রান্ত? এই চক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর অর্জনকে ম্লান করার ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই না।

Comments
[covid19 country="Bangladesh" title="Bangladesh"]