ভাগ্যিস ম্যাচটা টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বাইরে: সাকিব

6

গত ১ আগস্ট অ্যাশেজ দিয়ে শুরু হয়েছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ। আগামী দুই বছর টেস্ট র‌্যাংকিংয়ের সেরা ৯টি দল (বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ) ২৭টি সিরিজে ৭১টি টেস্ট খেলবে। হোম ও অ্যাওয়ে ভিত্তিতে খেলার পর শীর্ষ দুই দল ২০২১ সালের জুনে খেলবে ফাইনালে। আগামী নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজ দিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ যুগে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টকে ধরা হচ্ছে তারই প্রস্তুতি। ম্যাচটা যে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ নয়, সেজন্য সাকিব আল হাসানের কণ্ঠে স্বস্তি।

চতুর্থ দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেছেন, ‘আমাদের ভাগ্য ভালো যে ম্যাচটা টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের মধ্যে পড়ছে না। তবে আমাদের ক্রিকেটের জন্য এটা হতাশাজনক। টেস্ট ক্রিকেট নতুন একটা দলের বিপক্ষে আমরা হারের শঙ্কায়। অবশ্য নতুন দল যে জিততে পারবে না এটাও ঠিক নয়। তাহলে তো দেড় শ’ বছর ধরে খেলা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আমাদের জেতারই কথা না! অবশ্যই তাদের (আফগানিস্তান) সম্মান জানাতে হবে, কৃতিত্ব দিতে হবে। তারা ভালো খেলেই এই জায়গায় এসেছে।’

আফগানিস্তানকে মানসিকভাবে অনেক পরিণত মনে হয়েছে এই ম্যাচে। এ বিষয়ে সাকিবের বিশ্লেষণ, ‘আমরা তো ওদের অস্বস্তিতে ফেলতে পারিনি। যদি পারতাম, তখন বোঝা যেত যে ওদের মধ্যে কতটা দৃঢ়তা আছে। আমরা আজকে ২ উইকেটে ২০০ রান করতে পারলে কাল শেষ দিনে ওদের মধ্যে কতটা ডিটারমিনেশন আছে তা বুঝতে পারতাম।’

‘আফগান স্পিনারদের বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা টেকনিক্যাল নাকি অন্য কোনও কারণে?’ সাকিবের জবাব, ‘টেকনিক্যাল কারণে বলতে পারেন। আমরা রিস্ট স্পিনারের বলে খুব একটা খেলার সুযোগ পাই না। অবশ্য আমাদের প্রস্তুতি ভালো ছিল। কিন্তু আপনি যতক্ষণ না ম্যাচ খেলছেন, ততক্ষণ অনুশীলন খুব একটা কাজে আসবে না। আমি বলবো না কারও অ্যাপ্রোচে সমস্যা ছিল। আমি শুধু বলবো পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অনেক সমস্যা হয়েছে। আমরা অনেক ভয় নিয়ে, অনেক চাপ নিয়ে খেলি। যে কারণে ভালো পারফর্ম করা কঠিন হয়ে পড়ে।’