দেশীয় প্রতিটি শিল্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ কিংবা ষড়যন্ত্র

29

গোলাম সারোয়ার: তরল দুধ দেশী সম্পদ এবং গুড়ো দুধ প্রায়ই বিদেশ থেকে আমদানীকৃত। তরল দুধের উপর প্রচুর গবেষণা করে সেগুলোর দোষ ধরা হচ্ছে অনেকটা মেয়েদের বিয়ের ভাঙানী দেওয়ার মতো। আবার গুড়ো দুধের উপর কোন গবেষণা নেই, কোন দোষ ধরা নেই, কারণ তা আমদানী করতেছেন ভাসুরেরা। কিছু চুতিয়া মিডিয়া অবিরাম দেশীয় তরল দুধের বিরুদ্ধে, কিন্তু গুড়ো দুধের পক্ষে। সরকার প্রধান দেশীর দুধের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

সরকার প্রধানের বক্তব্যে সরলতা, সত্যতা এবং দেশের প্রতি মমতা দেখতে পাই। বিশেষ করে কিছু মিডিয়া যারা দেশের বদনাম পেলে দু’রাকাত নফল বেশি পড়েন, তাদের তরল দুধের প্রতি বৈরিতা দেখে আমার প্রতীতী জন্মেছে, এখানে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তাছাড়া গবেষক মহোদয়রাও বলেননি, দুধে ক্ষতিকারক পদার্থ মিশানো হচ্ছে। বরং তাঁরা বলতেছেন, যে গরুগুলো থেকে দুধ দোহন করা হচ্ছে সে গরুগুলো যে ঘাস খাচ্ছে কিংবা যে খাবারগুলো খাওয়ানো হচ্ছে সে ঘাসে এবং খাওয়ারে সমস্যা আছে। এবার বুঝেন ! পাতার উপর লতা গেছে, টানলে লতা ছিঁড়া গেছে ! তবে তাদের অপপ্রচারে কাজও হয়েছে। মহিলারা রিপোর্টের পর তরল দুধ খাওয়াতো দূরে থাক, দেখলেই বমি করতেছেন। পত্রিকাগুলো ষড়যন্ত্রে অংশ নিলে সে ষড়যন্ত্র সহজেই সফল হয়।

দেশীর তরল দুধ, খামার আর চাষীদের প্রতি সমর্থন জানানোর পাশাপাশি আমদানী করা গুড়ো দুধেও সমানতালে গবেষণার দাবি জানাই। দেখি কোন কোন হীরা জহরত আছে ঐ আমদানী করা গুড়ো দুধে!

লেখক: সাংবাদিক ও কলাম লেখক