বিএসএমএমইউকে হাইকোর্টের চার নির্দেশনা

737

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্যাথলজি পরীক্ষা নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বিএসএমএমইউ) চার নির্দেশনা দিয়েছে হাইকোর্ট।

রোববার (৭ অক্টোবর) এ রায় প্রকাশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলা সংশ্লিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু। বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দিয়েছেন।

রায়ে বিভিন্ন প্যাথলজি পরীক্ষার বাবদ রোগীদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থের মধ্যে পরীক্ষার খরচ বাদ দিয়ে বাকি টাকা চিকিৎসক, টেকনোলজিস্ট, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও কর্মচারীদের মধ্যে আনুপাতিক হারে বণ্টন করতে বলা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে প্যাথলজি পরীক্ষা বাবদ আদায়কৃত ফি কীভাবে ব্যবহৃত হবে সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা করা প্রয়োজন বলে অভিমত দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রায়ে চার দফা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তা হলো-

১. ২০০৭ সালের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ল্যাবরেটরি খরচ বাদ দিয়ে বাকি অর্থ আনুপাতিক (৭০:৩০) হারে বণ্টন করতে হবে।

২. শিক্ষক এবং কর্মচারীদের মধ্যে বিতরণ করা অতিরিক্ত অর্থ মেডিক‌্যাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ফেরত নিতে হবে।

৩. হাসপাতালে যে অর্থ আদায় হয় তা থেকে পরীক্ষার খরচ বাদ দিয়ে বাকি টাকা চিকিৎসক, টেকনোলজিস্ট ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও কর্মচারীদের মধ্যে আনুপাতিক হারে বণ্টন করতে হবে। এর আগে ট্যাক্স কেটে রাখতে হবে।

৪. সব পরীক্ষার ফি পুনঃনির্ধারণ করতে হবে।

২০১৮ সালের ৭ আগস্ট জারি করা প্রজ্ঞাপন অবৈধ ঘোষণা করে গত ১২ মে এ রায় দেন আদালত। সম্প্রতি এ মামলার রায় প্রকাশ হয়েছে।

আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, ওই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পরীক্ষা বাবদ আদায়কৃত অর্থের ৩০ ভাগ চিকিৎসকরা নিয়ে যেতেন। যদিও ৩০ থেকে ৩৫ ভাগ খরচ হয় প্যাথলজি পরীক্ষার বিভিন্ন কেমিক্যাল কিনতে। আগে কেনার খরচ না দিয়ে চিকিৎকরা টাকা নিয়ে যেতেন। এখন হাইকোর্ট রায় দিয়ে বলেছেন, প্যাথলজির খরচ বাদ দিয়ে যা থাকবে সেই টাকা আনুপাতিক হারে চিকিৎসক, টেকনোলজিস্ট, কর্মচারী এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মধ্যে আনুপাতিক হারে বণ্টন করতে হবে।