বাংলাদেশের সিনেমায় পূজা চোপড়া

7

প্রায় তিন দশক পর সিনেমায় ফিরেছেন চিত্রপরিচালক সি. বি. জামান। কিছুদিন আগেই তিনি তার নতুন সিনেমা ‘অ্যাডভোকেট সুরাজ’ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। এর নামভূমিকায় দেখা যাবে ‘হূদয় রংধনু’ খ্যাত অভিনেতা শামস হাসান কাদিরকে। এতে তার বিপরীতে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী পূজা চোপড়া।

সম্প্রতি মুম্বাইয়ের একটি রেস্টুরেন্টে ‘কমান্ড’খ্যাত ওই বলিউড অভিনেত্রী সিনেমাটির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। সে সময় উপস্থিত ছিলেন প্রযোজক ও অভিনেতা শামস হাসান কাদির ও বলিউডের জনপ্রিয় নৃত্য পরিচালক মাস্টার সৌরপ।

এসএইচকে গ্লোবালের ফেসবুক পেজে পূজা চোপড়ার একটি ভিডিওবার্তা শেয়ার করা হয়েছে। সেখানে তিনি বলেন, ‘সবার জন্য দারুণ একটা সংবাদ হচ্ছে, আমি বাংলাদেশের সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছি। এর নাম ‘অ্যাডভোকেট সুরাজ’। এটি পরিচালনা করছেন গুণী নির্মাতা সি. বি. জামান এবং প্রযোজনা করছে এসএইচকে গ্লোবাল। সবার সঙ্গে খুব শিগগিরই দেখা হচ্ছে।’

২০০৯ সালে ফেমিনা মিস ইন্ডিয়ার মুকুট জেতেন পূজা চোপড়া। ২০১১ সালে তামিল সিনেমা ‘পোন্নার শঙ্কর’ সিনেমার মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে তার। বলিউডে ‘ফ্যাশন’ ও ‘হিরোইন’ সিনেমায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ২০১৩ সালে বিদ্যুৎ জামওয়ালের বিপরীতে ‘কমান্ড’ সিনেমায় নায়িকা হিসেবে তার অভিষেক ঘটে। এছাড়া গত বছর ‘আইয়ারি’ সিনেমাতেও তাকে অভিনয় করতে দেখা গেছে।  এ বছর অভিনয় করেছেন ‘বাবলু ব্যাচেলর’ ছবিতে। বলিউডে পূজার অভিষেক জমকালো হলেও পরবর্তীকালে সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেননি এ তারকা। তবে বাংলাদেশের ছবিতে পূজা নিজেকে কতটুকু মেলে ধরতে পারবেন সেটাই এখন মূল বিষয়।

অন্যদিকে নির্মাতা সি. বি. জামান ১৯৬৬ সালে লাহোর ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে সহকারী পরিচালক হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন। ১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সরাসরি সিনেমা পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তখন তিনি নির্মাণ করেন ঝড়ের পাখি (১৯৭৩), উজান ভাটি (১৯৮২), পুরস্কার (১৯৮৩), শুভরাত্রি (১৯৮৫), হাসি (১৯৮৬), লাল গোলাপ (১৯৮৯) ও কুসুম কলি’র (১৯৯০) মতো কালজয়ী সিনেমা। এর মধ্যে ব্যবসায়িক সফলতার পাশাপাশি ‘পুরস্কার’ সিনেমাটি ১৯৮৬ সালে ৬টি ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।

সাবা