‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চরিত্র এর চেয়ে আর খারাপভাবে বলা যায় না’

234

ইসমাইল হোসাইন: গতকাল অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫২ তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আচার্য মহোদয় যেভাবে বর্তমান শিক্ষকদের প্রকৃত চরিত্র তুলে ধরেছে এর চেয়ে খারাপ ভাবে বলা যায় না! কেননা এই শিক্ষক নামের মহান পেশায় অনেক মহামানব জড়িত ছিলো।

বর্তমানে শিক্ষকদের পদোন্নতি, একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পাওয়া, সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে রাতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা এবং দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন না করে দায়িত্বহীনভাবে কাজ করে বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার বিষয় উঠে এসেছে এবং প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে শিক্ষকগন।এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতি স্পষ্টই বলেছেন,বর্তমান ডাকসুর নেতাদের কর্মকাণ্ড তার কাছে ভালো লাগেনি।

চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি,সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন না করা সহ সকল বিতর্কিত কর্মকাণ্ড তিনি খেয়াল করেছেন!যদিও নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।

মহামান্য রাষ্ট্রপতির বলা কথা গুলো যদিও এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবারের যেকারো জানা।তাঁর কথা মাধ্যমে কাটা যায়গায় নুনের সিটে পরেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের একজন ছাত্র হিসেবে কষ্ট পেয়েছি, লজ্জিত বোধ করেছি! কারণ, যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সোনালি ইতিহাস ও ঐতিহ্য জেনে শত পরিশ্রম করে ভর্তি হয়েছি সেই বিশ্ববিদ্যালয় আমরা পাইনি,সেই সুযোগ সুবিধা পাইনি এবং ডাকসুর যে সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ছাত্রদের ও দেশের কল্যাণে ভুমিকার কথা শুনেছি সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়ন হয়নি।

আমার মনে হয় রাষ্ট্রপতির কথা শুনে শিক্ষক ও ছাত্রনেতারাও লজ্জা পেয়েছেন!এবং তাদের বিবেকে কিছুটা হলে আঘাত পেয়েছে।

তাই আশা করবো শিক্ষকরা তাদের পূর্বের সম্মানিত স্থানে আসীন হবে। দায়িত্বশীল আচারণ করবেন।এবং ছাত্রনেতারও তাদেরকে শুধরাবে।ডাকসুর ঐতিহ্য ও সুনাম বজায় রাখবেন।মহামান্য রাষ্ট্রপতি হচ্ছে রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ অভিভাবক এবং তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কিছুই জেনেছেন, তাই তিনি গুরুপূর্ণ পদে শিক্ষকদের নিয়োগ সহ সকল প্রশাসনিক ও একাডেমিক পদে সৎ, যোগ্য এবং বিচক্ষণ ব্যক্তিদের নিয়োগ দিবে।

লেখক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।